ভারতের টেলিকম বাজারে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও পোক্ত করল রিলায়েন্স জিও। সেপ্টেম্বর মাসের গ্রাহক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জাতীয় স্তরের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও দারুণ সাফল্য পেয়েছে সংস্থাটি। রাজ্যে ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক সংখ্যা বাড়ছে জিও-র।
সেপ্টেম্বরে বাড়ল দেড় লক্ষ গ্রাহক
সেপ্টেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১,৪৮,৩৪৮ জন নতুন গ্রাহক নিজেদের নেটওয়ার্কে যুক্ত করেছেন জিও। এর ফলে রাজ্যে সংস্থার মোট গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৬৮ লক্ষ ৯৯ হাজার ৮৭০ জন। অন্যদিকে, এই একই সময়ে গ্রাহক সংখ্যা কমেছে অন্য টেলিকম সংস্থাগুলির।
পিছিয়ে এয়ারটেল ও ভি
জিওর যখন গ্রাহক বাড়ছে, তখন ছবিটা বিপ্রতীপ প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে। সেপ্টেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গে ভারতী এয়ারটেলের গ্রাহক কমেছে প্রায় ৬,০৬১ জন। পাশাপাশি, ভোডাফোন আইডিয়ার (ভি) গ্রাহক সংখ্যা কমেছে প্রায় ৮১,৫৭৯ জন।
বাজারের সিংহভাগ কব্জায়
রাজ্যের টেলিকম বাজারে এখন একচ্ছত্র আধিপত্য জিও-র। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বাজারে জিও-র অংশীদারিত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫.৫৮ শতাংশে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা এয়ারটেলের বাজারের অংশীদারিত্ব ৩৩.০৭ শতাংশ। আর ভি-র অংশীদারিত্ব ১৬.৮৯ শতাংশ।
এক বছরে আকাশছোঁয়া সাফল্য
গত এক বছরে রাজ্যে জিওর সাফল্য চোখে পড়ার মতো। সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ পশ্চিমবঙ্গে জিও-র গ্রাহক ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৩ লক্ষ। এক বছরে নতুন করে প্রায় ১৬ লক্ষ ৩৪ হাজার গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন। এই সময়ে বাজারের অংশীদারিত্বও বেড়েছে ১.৭২ শতাংশ পয়েন্ট।
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশজুড়েও আধিপত্য বজায় রেখেছে জিও। সেপ্টেম্বর মাসে সারা দেশে জিও-র মূল মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ। সবমিলিয়ে সেপ্টেম্বরের শেষে সারা দেশে জিও-র মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫১.১১ কোটিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল সংযোগের প্রসারে জিও-র এই ধারাবাহিক সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
