বলিউডের পাওয়ার কাপল আদিত্য ধর ও ইয়ামি গৌতমের ঠিকানা বদল! বিগত কয়েকটা দিন এই খবরে সরগরম মায়ানগরীর সিনেপাড়া। পরিচালক আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইচির দুটি ছবির দুর্দান্ত সাফল্য, ‘আর্টিকল ৩৭০’ নায়িকা স্ত্রী ইয়ামি গৌতমের ঝুলিতে এসেছে জাতীয় পুরস্কার। এর মাঝেই শহর ছাড়ার সিদ্ধান্ত তারকা দম্পতির? মায়ানগরীকে চিরতরে বিদায় জানাচ্ছেন ইয়ামি, আদিত্য? অনুষ্কার শর্মার মতোই এবার ইন্ডাস্ট্রির এই সেলেব দম্পতিও গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে বাণপ্রস্থ ঘোষণা করবেন? এহেন হাজার প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্তদের মনে। সবুজে ঘেরা পাহাড়ের কোলে আদিত্য ধর ও ইয়ামি গৌতমের ঠিকানা বদলের চর্চার মাঝে মুখ খুলল পরিচালকের সহকারী টিম।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এই খবরের সত্যতা নস্যাৎ করে দিয়েছে আদিত্যর সহকারী দল। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আদিত্য, ইয়ামি হিমাচলে একশো বছরের পুরনো বাড়িতে নতুন করে সংসার সাজাচ্ছেন, এই গুঞ্জন খারিজ করেছে আদিত্যর টিম। কীভাবে এধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পরিচালকের সহকারী দল। আদিত্য, ইয়ামি তাঁদের ঠিকানা বদল করছেন না, এই খবরে ভক্তরা স্বস্তি পাবেন তা বলার অপেক্ষাই রাখে না।
ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের কানাঘুষো, মান্ডি এলাকার গোহরে ইয়ামির স্বপ্নের বাড়িতেই নতুন করে সংসার সাজাচ্ছেন দম্পতি। আদিত্যর সঙ্গে বিয়ের আগেই পাহাড়ের সঙ্গে মনের গভীর টান ইয়ামির। গোহরে তিনি একশো বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী বাড়ি কিনেছিলেন, সেই সঙ্গে পঁচিশ একর জমি।কাঠ ও পাথর দিয়ে তৈরি সেই বাড়িটি ঘিরে রয়েছে সবুজে ঘেরা বাগান। সেখানে আপেল, আলু, আদার চাষও করেন।

ইয়ামি গৌতম ও আদিত্য হিমাচলপ্রদেশেই এখন অনেকটা সময় কাটাচ্ছেন, এমনটাও শোনা যাচ্ছিল। ২০২১ সালে হিমাচলেই সাত পাকের বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন আদিত্য ও ইয়ামি। তাই দুজনের জীবনেই এই বাড়ির একটা বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি গুজরাটে অনুষ্ঠিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। বরাবরই ব্যক্তিগত জীবনকে প্রচারের আড়ালে রেখেছেন তারকা দম্পতি।
