Hashtagintro

পুজোয় শ্যাম সুন্দর জুয়েলার্সের অভিনব উদ্যোগ, সুন্দরবনে স্কুল ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সুন্দরবনের নদীঘেরা প্রত্যন্ত গ্রামে দুর্গাপুজোর আনন্দ এবার আর শুধু নতুন কাপড়ের গন্ধে থেমে রইল না। এক লহমায় তার ক্যানভাস পৌঁছে গেল শিক্ষার আঙিনায়। মহালয়ার পুণ্য লগ্নে, দেবীপক্ষের শুভ সূচনায় বিদ্যাচর্চার এক নতুন ইতিহাস লেখা হল সুন্দরবনের বুকে।

আগে যেখানে কেবল একটি স্বপ্নের ভিটে তৈরি হয়েছিল, সেখানে এবার মাথা তুলে দাঁড়াতে চলেছে এক পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাকেন্দ্র। ‘বেলা সাহা স্মৃতি বিদ্যা মন্দির’-এর নতুন ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল সুন্দরবনের মাটিতে। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের সিএসআর (CSR) উদ্যোগের ফসল এই বিদ্যালয়টি। শিক্ষা যে আসলে সামাজিক বদলের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার, সেই বিশ্বাসকে পাথরে বাঁধার কাজটা সেরে ফেলা হল মহালয়ার দিনেই।

অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী সত্যকামানন্দ জী মহারাজ। উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন বিনোদপুর শিবম সোসাইটির সম্পাদক ডা. দিপঙ্কর মণ্ডল এবং সংস্থার কর্ণধাররা। স্বামীজী স্পষ্ট জানান, প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সাবলীল করে তোলাই স্বামী বিবেকানন্দের মূল ভাবনা। এই প্রকল্প তারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।

উৎসবের আমেজ সেখানে ছিল পুরো মাত্রায়। স্কুলের ৪৩৫ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন পোশাক। আনন্দে চোখ চকচক করে ওঠে খুদেদের। বাদ যাননি তাঁদের মায়েরাও। গ্রামের অন্য মহিলাদের পাশাপাশি তাঁদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় পুজোয় পরার নতুন শাড়ি। হাসি ফুটে ওঠে সবার মুখে। বেলা সাহার স্মৃতিতে গড়ে ওঠা এই বিদ্যা মন্দিরটি ২০২৪ সাল থেকে কাজ চালিয়ে আসছে। মায়ের শিক্ষা অনুরাগকে পাথেয় করেই এই লড়াইয়ের সূচনা বলে জানান শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের ডিরেক্টর রূপক সাহা ও তাঁর বোন সুচরিতা রায়। স্থানীয় সমাজসেবী থেকে সংস্থার কর্তারা—সবাই জানান, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে অন্ধকার দূর করাই তাঁদের একমাত্র সংকল্প। আনন্দ উৎসব আর সমবেত ভোজনের মধ্য দিয়েই সমাপ্তি ঘটে একটি সুন্দর দিনের।

Source: Sangbad Pratidin Education (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Education (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language