Hashtagintro

পুজোয় ২০ লাখের মুখোশ বিক্রি! মুখে হাসি ফুটল শিল্পীদের

দুর্গা পুজোয় সাবেকি প্রতিমাতেই জোর দিতে বলেছিল রাজ্য। তাই কলকাতা ছাড়া সেভাবে শারদ উৎসবে থিমের দাপট ছিল না। তাই পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির মুখোশ গ্রাম চড়িদায় একেবারেই বরাত ছিল না শিল্পীদের। কিন্তু সেই মনখারাপ মুছে দিল মহালয়া থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত প্রায় এক পক্ষ কালের কম বেশি ২০ লাখ টাকার মুখোশ বিক্রি। এ যেন লক্ষ্মীপুজোয় লক্ষ্মী লাভ ওই মুখোশ শিল্পীদের কাছে। এই লক্ষ্মীলাভে পুজোতে ওই শিল্পীরা মনমরা থাকলেও কোজাগরি লক্ষ্মীর আরাধনায় যেন কিছুটা হলেও মুখে হাসি এনেছে।

তবে পুজোর মন খারাপ কাটিয়ে খানিকটা চোখে মুখে খুশি এলেও এই ২০ লাখ টাকার ব্যবসাকে সন্তোষজনক মানতে নারাজ এই মুখোশ গ্রাম। কারণ, বর্ষার মরশুম থেকেই পুজোর মুখোশের বিক্রিবাট্টার জন্য এই শিল্পীদের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। দুর্গা, মহিষাসুর, গণেশ, কথাকলি-সহ আরও কত কী। ফলে ৫ মাসের পরিশ্রমে ২০ লাখ টাকার ব্যবসাকে মন্দের ভালো বলছেন তারা। চড়িদার তরুণ মুখোশ শিল্পী সোমু সূত্রধর বলেন, “মহালয়ার পর থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত আমাদের বিভিন্ন দোকানে গড়ে ২ হাজার টাকা করে মুখোশ বিক্রি হয়েছে। কোনও দোকানে আরও কিছুটা বেশি। আবার কোন দোকানে কিছুটা কম।”

ওই গ্রামে প্রায় ১০০ টা মুখোশের দোকান রয়েছে। পুজোয় বরাত না পেয়ে একেবারে চুপ হয়ে গিয়েছিল এই মুখোশ গ্রাম। কিন্তু দেবীপক্ষ শুরু হতেই মুখোশের বিক্রি ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। যেমন বিক্রি হয়েছে দুর্গা। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিক্রি হয়েছে মহিষাসুর। আর তাতেই লক্ষ্মীলাভ। আরেক মুখোশ শিল্পী জয়দেব সূত্রধর বলেন, “এবার মহিষাসুরের মুখোশ ব্যাপক হারে বিক্রি হয়েছে। আমাদের গ্রাম এবার পুজোয় বরাত সেভাবে পায়নি। মহালয়ার পর থেকে এই কয়েকদিনে বিক্রিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।” এবার পুজোয় শুধু জগদীশ সূত্রধর প্রায় ৩ লাখ টাকার বরাত পায় পুনে, দমদম, ব্যান্ডেল ও শান্তিপুরে। আর অন্যান্য শিল্পীদের কার্যত ১ টাকাও বরাত জোটেনি।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language