দেবীর আগমনে সেজে উঠেছে বাংলার অলিগলি। শনি ভোর ৩টে থেকে শুরু তর্পণ! তারপরই দেবীপক্ষ। তার আগে রাজ্যবাসীর নিরাপত্তা, রাস্তার হাল, পুরকর্মীদের বেতন। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক-সহ রাজ্যের সমস্ত পুরসভাগুলির সঙ্গে ভার্চুয়ালি মাধ্যমে বৈঠক করেন তিনি।
বৈঠকে নির্দেশ দিলেন রাজ্যের পুরকর্মীদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার। পুজোর দিনে চালাতে হবে বিশেষ সাফাই অভিযান। নিরাপত্তায় যাতে কোনও খামতি না থাকে সেই নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। আগামিকাল পুলিশের ১১২ নম্বর শুরু হবে। বিপদে মুহূর্তে পৌঁছে যাবে পুলিশ। জানালেন সেই কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দর্শনার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা নয় না, সেই জন্যে রাস্তা মেরামত করা হয়েছে। আগামি কয়েকদিনের মধ্যে জেলাস্তরের বাকি কাজগুলোও হয়ে যাবে।”
আগামিকাল তর্পণের ঘাটগুলিতে ডুবুরি মোতায়েন থেকে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা সবটাই করার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভোর ৩টে থেকে তর্পন শুরু হবে। কোনও দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেই জন্য প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। কোস্টাল পুলিশ, ডুবুরি মোতায়েন করার কথাও বলা হয়েছে।”
সার্বিক নিরাপত্তার পাশাপাশি মা দুর্গার আগমনে শহর ও শহরতলি সাজিয়ে তোলার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকার ও ডেভেলপমেন্ট অথরিটিগুলো সেই ব্যবস্থা তো করবেই। পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও তাঁদের নিজেদের এলাকা সাজিয়ে তোলার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজোয় কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। পুলিশ, দমকল, পুরসভা সংযোগ রেখে কাজ করবে। পাশাপাশি পুজোর সময় রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে যাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক থাকেন সেই দিকটি দেখার কথা বলেছেন।
আগামিকাল ইডেনে মহাসমারহে দুর্গাপুজোর সূচনা হবে। অনুষ্ঠান রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছে, বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ রেড রোড থেকে ছোট শোভাযাত্রা করে ইডেনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী ও গোটা মন্ত্রিসভা। ৪টে ৪৫ মিনিটে রাজ্যপালের উপস্থিতিতে উদ্বোধন হবে অনুষ্ঠানের। রাত ৯টা পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠান চলবে।
