ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশ। বুধবার নোটিস হাতে অভিষেকের বাড়িতে হাজির হন শেক্সপিয়র থানার পুলিশ কর্মীরা। যদিও অভিষেক সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খোলা নিয়ে গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশ ও পুরকর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রুজু হয় মামলা। সেই মামলা সংক্রান্ত নোটিস হাতেই এদিন অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে আসেন শেক্সপিয়র থানার পুলিশ কর্মীরা। অভিযোগপত্রে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবীর-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার নাম রয়েছে। সেই মামলার নোটিস দিতেই বুধবার অভিষেকের বাড়িতে গেল শেক্সপিয়র থানার পুলিশ। যদিও জানা গিয়ছে, এদিন নোটিস দিতে পারেননি পুলিশকর্মীরা। কারণ অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না।
উল্লেখ্য, ২৭ আগস্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে লাগানো বিলবোর্ড খোলা নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওই অফিসে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয় একপ্রস্থ। অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢুকতে গেলে কলার ধরে পুলিশকে মারধর করা হয়। ধস্তাধস্তিতে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান। পুরকর্মীদেরও বারবার বাধা দেওয়া হয়। করা হয় মারধরও। কলকাতা পুরসভার দাবি ওই বিলবোর্ডটি ‘বেআইনি’। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনও বাধাই কাজে আসেনি। বিলবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা। পুলিশ ও পুরকর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। তাঁদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিষেক-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কলকাতা পুরসভা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন নোটিস হাতে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ।
