পরকীয়ার টানে স্বামীকে খুন স্ত্রীর। ভয়ংকর এই ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানেতে। প্রায় ৬ মাস পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৯ বছর বয়সি দীপালি ওরফে বালি বিজয় সালুঙ্কেকে। অভিযোগ, পরকীয়া সম্পর্কে আপত্তি করার জেরে রাগের বশে স্বামী গৌরব রাগদেকে (২৭) খুন করেন দীপালি ও তাঁর প্রেমিক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় অটোরিকশা চালক গৌরব নাগপুরের আজনি এলাকার বাসিন্দা। দীপালির সঙ্গে প্রেম করেই বিয়ে হয়েছিল তাঁর। তবে সম্প্রতি হৃষীকেশ খোদে নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দীপালি। গৌরব এই সম্পর্কের কথা জানতে পারলে স্বামী-স্ত্রীতে বচসা বাঁধে। পুলিশের মতে, এরপর গৌরবের বাড়ি ছেড়ে আলাদাভাবে থাকতে শুরু করেন দীপালি। ২০ আগস্ট বিকেলে গৌরব তাঁর বাবাকে জানান, তিনি দীপালি ও হৃষীকেশের সঙ্গে ঝামেলা মেটাতে নরেন্দ্র নগর যাচ্ছেন। সেখানে হৃষীকেশ দুই বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপান করছিলেন।
পরকীয়া সম্পর্কে আপত্তি করার জেরে রাগের বশে স্বামী গৌরব রাগদেকে (২৭) খুন করেন দীপালি ও তাঁর প্রেমিক।
অভিযোগ, গৌরব সেখানে গেলে হৃষীকেশ ও তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ব্যাপক বাদানুবাদ শুরু হয় তাঁর। গৌরবের বাবার মতে, সেখানে উপস্থিত ছিলেন দীপালি নিজেও। তাঁর নির্দেশেই গৌরবের উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালান হয়। পরপর ছুরির কোপে গুরুতর জখম হন গৌরব। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা থানের ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর রোডের বাসিন্দা।
খুনের ঘটনার পর গত ৬ মাস ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন দীপালি। শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। থানের ক্রাইম ব্রাঞ্চের সিনিয়র আধিকারিক শৈলেশ সালভি বলেন, ওই মহিলা জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। বর্তমানে তাঁকে নাগপুরের বেলতারোদি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
