দীর্ঘ তিন দশক পেরিয়ে ফিরছে নয়ের দশকের নস্ট্যালজিয়া। আরও একবার রাম-বল্লু জুটির ম্যাজিকে মন মজবে সিনেপ্রেমীর। হ্যাঁ, ব্লকবাস্টার মুভি ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েলের কথাই বলছি। গত ২৪ এপ্রিল সিনেমার ঝলক শেয়ার করে দ্বিতীয় ভাগের জল্পনা উসকে দিয়ে সঞ্জয় দত্ত লিখেছিলেন, ‘কিছু কাহিনি শেষ হয় না। নতুন করে শুরু হচ্ছে। ‘খলনায়ক রিটার্নস’। এবার সঞ্জয়ের ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এ এবার সলমনের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনার সূত্রপাত।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পরিচালক সুভাষ ঘাই ভাইজানের কথা মাথায় রেখেই গল্প সাজাচ্ছেন। চিত্রনাট্য় তৈরির পর্যায়ে থাকার জন্য সিনেমা নিয়ে বিশদে কোনও তথ্য টিমের তরফে শেয়ার করা হয়নি। সাল ১৯৯৩, সেই বছর খলনায়ক ম্যাজিকে মন মজেছিল আপামর হিন্দি সিনেপ্রেমী। ‘বল্লু’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সঞ্জয় দত্ত। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন জ্যাকি শ্রফ এবং মাধুরী দীক্ষিত। পরবর্তীতে কাল্ট ক্লাসিক ছবির মর্যাদা লাভ করে। এবার সেই ছবির সিক্যুয়েল তৈরির পরিকল্পনা করছেন নির্মাতারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে সলমনকে। গল্পে এই চরিত্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং সঞ্জয় দত্তকে নানা পরিস্থিতিতে সাহায্য করবে সলমনের চরিত্রটি। ওই সংবাদমাধ্যমকে এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ‘এই চরিত্রটি গল্পে নিয়ে আসবে এক অন্য মাত্রা। একজন সৎ পুলিশ অফিসার সঞ্জয় দত্তক (বল্লু) সাহায্য করবে। এই চরিত্রে সলমনের চেয়ে ভালো আর কে হতে পারেন? তবে এখনও কাস্টিং চূড়ান্ত হয়নি। চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য তৈরি হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নির্মাতারা।’
স্বাভাবিকভাবেই, সলমন খান ও সঞ্জয় দত্তের যুগলবন্দী দেখার সম্ভাবনা ঘিরে দর্শকের উত্তেজনার পারদও চড়ছে। সিনেমার কাস্টিং নিয়ে প্রকাশিত খবরের প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে সুভাষ ঘাই জানিয়েছেন, “এখনই কিছু বলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য তৈরি হয়ে গেলে বুঝতে পারব আমরা ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছি।”

শেষ পর্যন্ত ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এ সলমন চূড়ান্ত হলে এটি হবে সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে ভাইজানের দ্বিতীয় কাজ। ২০০৮ সালে ‘যুবরাজ’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন পরিচালক ও অভিনেতা। ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এ সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে ফের সলমনকে দেখা যাবে কিনা সেই উত্তরের জন্য় আপাতত কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। ‘সাজন’, ‘চল মেরে ভাই’ -এর মতো ছবির স্মৃতি উসকে নতুন মোড়কে পুরনো জুটির স্বাদ আস্বাদনের অপেক্ষায় দর্শক।
