বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দর্শকমহলের আতশকাচে রাজবীর-নন্দিনীর মাখোমাখো রসায়ন। ‘বিগ বসে’র ঘরে প্রেম-রোম্যান্স নতুন নয়। হিন্দি সংস্করণে এহেন ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। তবে রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর মতো এহেন জমজমাট চর্চিত রসায়ন ইতিপূর্বে ‘বিগ বস বাংলা’র দূর্গে দেখা যায়নি। তাঁদের দুষ্টু-মিষ্টি প্রেম নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। কখনও বিছানায় শুয়ে ফিসফাঁস, কখনও আবার একে অপরকে ভরিয়ে দিচ্ছেন চুমুতে। দিন কয়েক আগেই রাজবীর-নন্দিনীর ‘কেমিস্ট্রি’ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রীর বাবা। এবার রাজবীরের মা জানালেন, বউমা হিসেবে নন্দিনীকেই পছন্দ কিনা?
ভীষণ কষ্ট করে ছেলেকে মানুষ করেছেন তিনি। আর আজ সেই পরিশ্রমের ফল দেখতে পেয়ে রাজবীরের জন্য গর্বিত তাঁর মা।
প্রথম ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি হিসেবে ‘বিগ বস বাংলা’র দূর্গে পা রেখেই রাজবীর দে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। শোয়ের প্রত্যেকটি পর্বে বাকি প্রতিযোগীদের সামনে তিনি যেভাবে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন উত্তরোত্তর, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে দর্শকমহলে। ‘বিগ বস বাংলা’র দূর্গে ছেলের এহেন সাফল্যের কথা বলতে গিয়েই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীরের মা। সম্প্রতি এক ইউটিউব চ্যানেলে মুখ খুলেছিলেন তিনি। সেখানেই জানান, ভীষণ কষ্ট করে ছেলেকে মানুষ করেছেন তিনি। আর আজ সেই পরিশ্রমের ফল দেখতে পেয়ে রাজবীরের জন্য গর্বিত তাঁর মা।

রাজবীর যে ‘বিগ বস’-এ যাচ্ছেন, সেকথা নাকি তাঁর মা প্রথমটায় জানতেনই না। বরং সবটা চূড়ান্ত হওয়ার পর রাজবীর মাকে জানিয়েছিলেন যে তিনি রিয়ালিটি শোয়ে অংশ নিচ্ছেন। কোচবিহার রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনা করেছেন রাজবীর দে। কথাপ্রসঙ্গে তাঁর মা জানালেন, সেখানকার কঠোর নিয়মশৃঙ্খলার পরিবেশে রাজবীরের স্বাধীনচেতা স্বভাবের জন্য অনেকেরই তাঁর সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হচ্ছিল। তবে পরে সকলের মন জয় করে নেন তিনি। আশ্রমের ছাত্রাবাসে থাকাকালীন মহারাজের সংস্পর্শে কীভাবে তাঁর জীবন বদলে গিয়েছিল, সেকথাও জানান তাঁর মা। এসবের মাঝেই নন্দিনী দত্তর সঙ্গে রাজবীরের রসায়নের প্রসঙ্গ উত্থাপন হয়। বৌমা হিসেবে কি অভিনেত্রীকেই পছন্দ? রাজবীরের মা জানালেন, ছেলে যদি জীবনসঙ্গী হিসেবে নন্দিনীকেই বেছে নিতে চায়, তাহলে তাঁর আপত্তির কিছু নেই। কারণ ছেলের পছন্দ ও সুখকেই অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি।
