বাকি পাঁচ মাসের বেতন, বকেয়া ভাতাও! দ্রুত তা মিটিয়ে দিতে হবে। সেই দাবিতে পানিহাটি পুরসভার মূল গেট আটকে বিক্ষোভ অস্থায়ী কর্মীদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের জেরে পুরসভায় ঢুকতে বেগ পান উত্তর শহরতলি জেলা বিজেপির সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় ও বিজেপি নেতা জয় সাহারা। বিক্ষোভ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিজেপির দাবি, বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার থাকলেও গেট আটকে কাজকর্মে বাধা দেওয়া যায় না। পাশাপাশি এই অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের বেতন ও ভাতা বকেয়া। এই বিক্ষোভের মধ্যেই অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন চণ্ডীচরণ। তাঁর দাবি, কোভিডের সময় জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। পরে তৃণমূলের কাউন্সিলররা নিজেদের ইচ্ছামতো মেয়াদ বাড়ায়। অনেক কর্মী পুরসভার কাজের বদলে কাউন্সিলরদের ব্যক্তিগত কাজ করেছেন বলে দাবি তাঁর। চণ্ডীচরণ বলেন, “অনেকেই পুরসভার কাজের বদলে কাউন্সিলরদের বাড়িতে রান্না, বাজার বা গাড়ি চালানোর মতো ব্যক্তিগত কাজ করতেন।”
কোন মাপকাঠিতে এই কর্মীদের নিয়োগ হয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জয় সাহা। কী পরীক্ষা হয়েছিল সেই প্রশ্নও তুলেছেন। তাঁর কথায়, “তৃণমূল কাউন্সিলর ও নেতাদের বাড়িতে , রান্না বা গাড়ি চালানোর কাজ করা ব্যক্তিদের বেতন কি সাধারণ মানুষের করের টাকায় বেতন পুরসভা দেবে? তাঁদের কী পরীক্ষা হয়েছিল, কোন মাপকাঠিতে নিয়োগ হয়েছিল?” জয় আরও অভিযোগ তুলে জানিয়েছেন, বাইরে থেকে অনেকে উসকানি দিয়েছেন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় পুরসভা চত্বরে।
