Hashtagintro

‘বড় শিক্ষা! এআইয়ের উপর নির্ভর করা উচিত নয়’, ‘দাদা’র পোস্টার বিতর্কে অবশেষে ভুল স্বীকার রাজকুমারের

বছর দুয়েক ধরে বহুল চর্চার পর গত জুলাই মাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিনে বায়োপিকের পোস্টার প্রকাশ্যে আনেন নির্মাতারা। যেখানে লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি হাতে ‘দাদাগিরি’ করতে দেখা গিয়েছিল রাজকুমার রাওকে। তবে ‘দাদা’র ফার্স্ট লুক লর্ডসে বাঙালিদের সুখস্মৃতি ফিরিয়ে দিলেও অনুরাগীমহল কিন্তু মোটেই সন্তুষ্ট হয়নি। রাজকুমারের লুক-পোস্টার আতশকাচে রেখে শুরু হয়েছিল চুলচেরা বিশ্লেষণ। কারও সৌরভের চরিত্রে রাজকুমারকে বেমানান ঠেকেছিল তো কেউ বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পোস্টার তৈরির দাবি করেছিলেন। বিতর্কও কম হয়নি। আড়াই মাস বাদে শেষমেশ ‘দাদা’র পোস্টার বিতর্কে মুখ খুললেন রাজকুমার রাও। শুধু তাই নয়, একবাক্যে ভুল স্বীকারও করেছেন।

“এত তাড়ার তো কারণ নেই। আমার মনে হয়, পুরো টিমই শিক্ষা পেয়েছে। পাশাপাশি নির্মাতারা এও বুঝতে পেরেছে যে ‘দাদা’র অনুরাগীরা কতটা আবেগী।”

Rajkummar Rao Trolled Over Sourav Ganguly Biopic Look
সৌরভের বায়োপিকের ফার্স্ট লুকে চূড়ান্ত ট্রোলড রাজকুমার

গত জুলাই মাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুপ্রতীক্ষিত বায়োপিকের পোস্টার দেখে কেউ দাবি করেছিলেন, ‘ফার্স্ট লুক দেখে মনে হচ্ছে পুরোটাই এআই দিয়ে তৈরি।’ একাংশ তো আরও একধাপ এগিয়ে দাবি করেন, ‘২০০২ সালে লর্ডস-এর ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে সৌরভ যে ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন, সেই ছবিতেই ‘সুপারইম্পোজ’ করে রাজকুমার রাওয়ের মুখ বসানো হয়েছে!’ কেউ বা বিদ্রুপ করে বলেছিলেন, ‘এর চেয়ে চ্যাটজিপিটি আরও ভালো কাজ করত।’ সৌরভের এক ভক্ত তো বলেই বসেন, ‘দাদার ভক্ত হিসেবে বলছি, বায়োপিকের জন্য একেবারে নিকৃষ্টমানের ফার্স্ট লুক। এর থেকে ফ্যানপেজগুলিও ভালো পোস্টার বানাতে বেশি পরিশ্রম করে।’ এহেন নানাবিধ মন্তব্য ছেয়ে গিয়েছিল নেটভুবনে। এবার সেই বিতর্কেই রাজকুমার ভুল স্বীকার করে বললেন, “এআইয়ের উপর এত নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়।”

“এআইয়ের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া ঠিক নয়। আর আমি চাইও না তেমন কিছু ঘটুক। কারণ এআইয়ের বাড়বাড়ন্তের ফলে বহু মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

Rajkumar Rao in Sourav Ganguly's biopic
‘দাদা’র পোস্টার বিতর্কে অবশেষে ভুল স্বীকার রাজকুমার রাওয়ের 

অভিনেতার মন্তব্য, “যাঁরা পোস্টারটি তৈরি করেছেন, তাঁরা এই ভুল থেকে বড় শিক্ষা নিয়েছেন। বুঝতে পেরেছেন যে, সময় নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। তাড়াহুড়ো করা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এত তাড়ার তো কারণ নেই। আমার মনে হয়, পুরো টিমই শিক্ষা পেয়েছে। পাশাপাশি নির্মাতারা এও বুঝতে পেরেছে যে ‘দাদা’র অনুরাগীরা কতটা আবেগী।” এরপরই ‘এআই পোস্টার’ তত্ত্বে সিলমোহর বসিয়ে রাজকুমারের সংযোজন, “প্রযুক্তির ভালোমন্দ উভয় দিকই রয়েছে। এআই-কে আটকানো যাবে না। তবে আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা। এআইয়ের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া ঠিক নয়। আর আমি চাইও না তেমন কিছু ঘটুক। কারণ এআইয়ের বাড়বাড়ন্তের ফলে বহু মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঘরে বসে সবকিছু হুবহু তৈরি করা সম্ভব নয়। তাছাড়া আমি বিশ্বাস করি, মানবিক আবেগের কোনও বিকল্প হয় না। এআই এত দ্রুত সেই আবেগের প্রতিফলন ঘটাতে পারবে কি না, সেটা আমার জানা নেই। কারণ এআই দিয়ে তৈরি কাজ দেখলে সহজেই বোঝা যায় যে এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃষ্টি। এতে কোনও প্রাণবন্ত ব্যাপার নেই। আপনি সহজেই বুঝতে পারেন যে, এটি নকল সংস্করণ। সবকিছু তো এআই দিয়ে তৈরি করা যায় না।”

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language