Hashtagintro

বদলের বাংলায় শিশুশ্রম বন্ধেও ‘জিরো টলারেন্স’, শহরজুড়ে শ্রমদপ্তরের অভিযান, উদ্ধার ৩ নাবালক

বদলের বাংলায় এবার শিশু শ্রম বন্ধে জিরো টলারেন্সের পথে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। ময়দানে নামল শ্রমদপ্তর। সেই অভিযান চালিয়ে পূর্ব কলকাতা থেকে তিন নাবালককে উদ্ধার করল শ্রমদপ্তর। কেউ রেস্তরাঁ, কেউ বা গ‌্যারাজে করত বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করছিল ওই তিন কিশোর। এই ব‌্যাপারে তিনটি সংস্থার তিন মালিকের বিরুদ্ধে এন্টালি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে শ্রমদপ্তরের পক্ষে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ।

শহরে আরও বেশ কিছু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ ও শ্রম দপ্তর। যারা নাবালক ও নাবালিকাদের কাজে নিয়োগ করছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শ্রম দপ্তরের আধিকারিকরা মূলত পূর্ব কলকাতার এন্টালি এলাকায় শিশুশ্রম বিরোধী অভিযান চালায়। এই অভিযানে ছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। মূলত এন্টালি এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে তিন নাবালককে উদ্ধার করা হয়। তারা যে নাবালক, তারও প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশ ও শ্রমদপ্তরের। উদ্ধার হওয়া তিন কিশোরের মধ্যে দু’জনের বয়স ১৬ বছর ও একজনের ১৪ বছর বয়স। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই নাবালকের একজনের বাড়ি হুগলির আরামবাগ এলাকায়, অন্যজনের বাড়ি বিহারের মধুবনি, তৃতীয়জন এন্টালিতেই থাকে। তাদের একজন দরজির দোকান, একজন রেস্তোরঁা এবং বাকি একজন গ‌্যারাজে কাজ করছিল। উদ্ধাকারী দলকে তিন কিশোর জানিয়েছে, একপ্রকার বাধ‌্য হয়েই একেবারে নুন্যতম কম টাকায় কাজ করতে হচ্ছিল। ওই তিনটি দোকান বা সংস্থার মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জুভেনাইল জাস্টিস অ‌্যাক্ট, শিশু শ্রম আইনে মামলা করা হয়েছে। চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে উদ্ধার হওয়া তিন কিশোরকে আপাতত একটি হোমে রাখা হয়েছে।

সূত্রের খবর, কলকাতার বহু দোকান, এমনকী বাড়িতেও নাবালক ও নাবালিকাদের দিয়ে বিভিন্ন কাজ করানো হয়। কলকাতার বাইরে, এমনকী, রাজ্যের বাইরে থেকে এসেও তাদের কাজ করতে হয়। পড়াশোনা বা খেলাধুলোর বদলে তারা এই কাজ করতে বাধ‌্য হয় বলেও জানা গিয়েছে। অনেকেই পর্যাপ্ত বেতন পায় না। আবার অনেককে শুধু থাকা ও খাওয়ার বিনিময়েই কাজ করতে হয়। অনেক সময় তারা নিগ্রহের শিকারও হয় বলে অভিযোগ। সেই ক্ষেত্রে ভয় ও আতঙ্কে অত‌্যাচার মেনে নিতেও বাধ‌্য হয় তারা। এই ব‌্যাপারে শহরে আরও বেশ কিছু অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ ও শ্রম দপ্তর। যারা নাবালক ও নাবালিকাদের কাজে নিয়োগ করছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language