শাখারভ সরকার। উপনির্বাচনে রেজিনগর কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করেছেন তিনি। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। কিন্তু শুধু জয়ী হওয়ায় নয়, আলোচনা শুরু হয়েছে তাঁর নাম নিয়েও। কিন্তু আগে ছেলের অন্য একটি নাম রেখেছিলেন শাখারভের বাবা। কীভাবে তা শাখারভ হল? নিজেই একথা জানালেন জয়ী বিজেপি প্রার্থী শাখারভ।
বাঙালির নাম শাখারভ এর আগে বঙ্গবাসী শুনেছেন কি না সন্দেহ রয়েছে। কোথা থেকে এল এই নাম? উপনির্বাচনে জয়ের পর নিজের নামকরণের কাহিনী শোনান বিজেপি প্রার্থী শাখারভ। প্রথমে ছেলের নাম বিজন রেখেছিলেন শাখারভের বাবা বিমান সরকার। নিজের নাম ও বাড়ির পুরুষ সদস্যদের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই নামকরণ করা হয়। কারণ শাখারভের বড়দার নাম বিপ্লব, মেজদার নাম বিশ্বজিৎ। সেই সামঞ্জস্য বজায় রেখেই শাখারভের নাম রাখা হয় বিজন। কিন্তু পাশের বাড়ির এক ব্যক্তিও নিজের ছেলের নাম বিজন রাখেন। এই নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে শুরু হয় ‘দ্বন্দ্ব’। ওই ব্যক্তির দাবি ছিল, তাঁর ছেলের নাম শুনেই নিজের ছেলের নাম বিজন রাখেন বিমানবাবু। এরপরই বিমান সরকার ছেলের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেছিলেন, “এমন নাম রাখব, দ্বিতীয়বার পৃথিবীর কেউ যেন কিছু বলতে না পারে।”
শাখারভ জানান, তাঁর বাবা কেমিস্ট্রির ছাত্র ছিলেন। রাশিয়ার পারমাণবিক বিজ্ঞানী আন্দ্রেই শাখারভের নামেই তাঁর নাম শাখারভ রাখা হয়। তিনি ভেবেছিলেন, ছেলের এমন নাম রাখবেন যা নিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন তুলতে না পারে। প্রতিবেশী সেই ব্যক্তি বিমানবাবুকে ছেলের নাম নিয়ে কথা না শোনালে শাখারভের নাম বিজন সরকার হতে পারত।
