Hashtagintro

বাজারে এসেই দ্বিতীয় বৃহত্তম জিও প্ল্যাটফর্মস, ২১ শতাংশেরও বেশি প্রিমিয়ামে তালিকাভুক্ত শেয়ার

শেয়ার বাজারে পা রেখেই বড়সড় চমক জিও প্ল্যাটফর্মসের। বুধবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে সংস্থার শেয়ার তালিকাভুক্ত হল ইস্যু মূল্যের তুলনায় ২১ শতাংশেরও বেশি প্রিমিয়ামে। শেয়ারপ্রতি ১১১৯ টাকার ইস্যুর লেনদেন শুরু হয় ১৩৫৮ টাকায়। অর্থাৎ প্রথম দিনেই ২১.৩৬ শতাংশ মুনাফা দিল মুকেশ আম্বানির সংস্থার শেয়ার। এই তালিকাভুক্তির পর বাজার মূলধনের নিরিখে দেশের দ্বিতীয় মূল্যবান সংস্থা হয়ে উঠল জিও প্ল্যাটফর্মস। অবশ্য এ বিষয়ে আগে থেকেই পূর্বাভাস ছিল বাজারের।

জিওর শেয়ার বাজারে আসার আগেই সংস্থার প্রাথমিক শেয়ার বিক্রিতে বিপুল সাড়া মিলেছিল। গত সপ্তাহে আইপিও বাজারে আসার পরই মোট দরপত্র জমা পড়ে প্রায় ৭.৩ লক্ষ কোটি টাকার। দেশের কোনও পাবলিক ইস্যুতে এর আগে এত বিপুল অঙ্কের দরপত্র জমা পড়েনি। আইপিওটি মোট ২২.১৯ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়েছিল।

নিজের গোষ্ঠীর সংস্থার আইপিওর সাফল্য নিয়ে মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন, বিনিয়োগকারীদের সাড়া তাঁদের প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। জিওকে আরও বড়, উন্নত এবং দেশের মানুষের কাছে আরও কার্যকর করে তোলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। অপরদিকে, বাজারে শেয়ারের অন্তর্ভুক্তি ঘোষণার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সবরকমে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত। তিনি জানান, মোদিই জিও-কে সঠিক দিশা দেখিয়েছেন।

এদিন শেয়ার লিস্টিংয়ের অনুষ্ঠানে ছেলে অনন্ত ও মেয়ে ঈশা যখন উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন তাঁদের বক্তব্য রাখার সময়ই কেঁদে ফেলেন মুকেশ। অনন্তকে বলতে শোনা যায়, “আপনি জিও তৈরি করেছেন। আপনার স্বপ্নকে পূর্ণ করাই আমাদের স্বপ্ন। জিওকে গোটা দেশ আশীর্বাদ করেছে। মা বলেছে, জিও মেরে লাল। ঠাকুমা বলেছে, যুগ যুগ জিও। আর বন্ধুরা বলেছে জিও ইয়ার।” এই সব কথা শুনতে শুনতে মুকেশ আম্বানি আক্ষরিক অর্থেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। গোটা অডিটোরিয়াম করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে।

এই বিপুল সাড়া এসেছে এমন এক সময়ে, যখন সামগ্রিক শেয়ার বাজার একাধিক আর্থিক চাপে রয়েছে। অপরিশোধিত তেলের উচ্চ দাম, মূল্যবৃদ্ধি, বন্ডের সুদের হার এবং ঋণের উচ্চ সুদ বাজারের উপর চাপ তৈরি করেছে।

বুধবার বাজার খোলার পর সেনসেক্স প্রায় ৭০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। নিফটি ৫০-ও ১৮০ পয়েন্টের বেশি নেমেছিল। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার শেয়ারগুলির মধ্যে ইনফোসিস, টিসিএস, টেক মহিন্দ্রা ও এইচসিএল টেকনোলজির দর কমে। ২০১৬ সালে পরিষেবা চালুর পর থেকেই ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছে জিও। কম দামে পরিষেবা, দ্রুত চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল পরিষেবার বিস্তার সংস্থাটির বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। এদিন বাজার বন্ধের সময় জিও প্ল্যাটফর্মসের দাম ছিল ১৪১৭.৫০ টাকায়।

Source: Sangbad Pratidin Business (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Business (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language