Hashtagintro

বাড়ির পুজোয় বেনারসি-সোনায় ‘রাজরানী’ কৌশানী, আঁচলে বাঁধা বনি! মা পিয়া বললেন, ‘বউমা আমার…’

সিনেদুনিয়ায় কখন কী রটে, বলা দায়! দিন কয়েক ধরেই টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ায় ফিসফাস, বনি-কৌশানীর একদশকের প্রেমে নাকি চিড় ধরেছে। গুঞ্জনের হাওয়া অবশ্য এখানেই থেমে থাকেনি। আরও একধাপ এগিয়ে নায়িকার নাম জড়িয়েছে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। যদিও এহেন রটনা বক্স অফিস চাঙ্গা করার ‘টনিক’ কিনা, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে, তবে এমন আবহেই বাড়ির দুর্গাপুজোয় আরও কাছাকাছি বনি সেনগুপ্ত, কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ‘লক্ষ্মীমন্ত বউমা’কে নিয়ে ততোধিক খুশি বনির মা পিয়া সেনগুপ্তও।

গাঢ় সবুজ রঙের বেনারসি আর সনাতনী নকশার সোনার নেকলেসে কৌশানী যেন আদ্যোন্ত ‘রাজরানী’ হয়ে উঠেছিলেন। বনি কি কৌশানীকে ‘রাজরানী’র মতোই রাখেন?

কৌশানীর বাড়ির নিয়মানুসারে চতুর্থীর দিনই পুরোহিত ডেকে মায়ের আরাধনা শুরু হয়। পরের দিনগুলিতে যদিও ঘট পুজোর নিয়ম রয়েছে, তবে এবার প্রতিমা এনে উৎসবের এলাহি আয়োজন করেছেন ‘বহুরূপী’ নায়িকা। শুধু কি তাই? বনির জন্য রং মিলান্তি পোশাকও কিনেছেন পুজোর সব আয়োজনের পাশাপাশি। গাঢ় সবুজ রঙের বেনারসি আর সনাতনী নকশার সোনার নেকলেসে কৌশানী যেন আদ্যোন্ত ‘রাজরানী’ হয়ে উঠেছিলেন। বনি কি কৌশানীকে ‘রাজরানী’র মতোই রাখেন? প্রশ্ন যেতেই একবাক্যে মাথা নেড়ে সায় দিলেন অভিনেত্রী। আর পুজোর উপহার? নিজের শাড়ির সঙ্গে রং মিলিয়ে বনিকে সবুজ পাঞ্জাবি ছাড়া আর কিছুই এবার উপহার দিতে পারেননি বলে জানালেন। পুজোর আসরে কিছুতেই যেন কৌশানীকে কাছছাড়া করতে চাননি বনি। হাসি-ঠাট্টা মজার বেশকিথু ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তেই ধরা পড়ল তারকাযুগলের খুনসুটি। যেখানে নায়িকার আঁচল ধরে হাঁটতেও দেখা গেল তাঁর ‘রিয়েল লাইফ’ নায়ককে।

মা পিয়া সেনগুপ্ত বললেন, “আবার ট্রোল হব জানি, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে সবথেকে সুন্দরী কৌশানী।…”

দিনভর উপোস থেকে নিষ্ঠাভরে পুজো করেছেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ভোগের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি জানালেন, “প্রতিবারের মতো এবারেও খিচুড়ি, লাবড়া, আলুর দম, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি অর্পণ করা হয়েছে।” কৌশানীর এহেন আয়োজনে প্রশংসায় পঞ্চমুখ বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত। বললেন, “আবার ট্রোল হব জানি, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে সবথেকে সুন্দরী কৌশানী।” পাশ থেকে হাসিমুখে বনির মন্তব্য, “সত্যি কথা বলতে অসুবিধো কোথায়?” ছেলেকে থামিয়ে মা পিয়ার সংযোজন, “ওকে সবসময়ে সুন্দরী লাগে। এবং এই পুজোয় মা দুর্গার কাছে একটাই চাওয়া, ওঁর সিনেমা (বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু) যেন খুব ভালো হয়। এবং আমার ছেলে-বউমা, বউমা নয় কৌশানী আমার মেয়ে, দু’জনে অনেক বড় হোক। ভালো কাজ করুক। এটাই আমার প্রার্থনা।” আর কৌশানী কি চাইলেন? অভিনেত্রী বললেন, “মাকে প্রতিবার বলি, বছরভর যেন তোমাকে আমার বাড়িতে রাজরানীর মতো রাখতে পারি। আর সবার ভালো হোক।”   

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language