শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন বাংলা সাহিব গুরুদ্বারের পবিত্রতা নষ্টের অভিযোগ উঠল আপের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ একাধিক আপ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে দিল্লির শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটি। অভিযোগে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন ওই গুরুদ্বারের পবিত্রতা নষ্ট করেছেন আপ নেতারা এবং সেই ঘটনার বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়িয়েছেন সোশাল মিডিয়ায়।
জানা যাচ্ছে, শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশি বাধার মুখে পড়ে বহু বিক্ষোভকারী সেদিন গুরুদ্বার চত্বরে আশ্রয় নেন। এই সময় আপের কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে ভিতরে ঢুকে ব্যাগ থেকে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বের করে রাজনৈতিক স্লোগান দিতে থাকেন। এই ঘটনা গুরুদ্বারের মর্যাদা ও ধর্মীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করে। গোটা ঘটনায় শিখদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। পুরো ঘটনার ভিডিও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে গুরুদ্বার কর্তৃপক্ষের তরফে। প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার জন্য। পাশাপাশি কে তাঁদের সংগঠিত করে গুরুদ্বারে ঢুকিয়েছে তাঁকেই খুঁজে বের করুক পুলিশ।
গুরুদ্বার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, “গুরুদ্বারকে দুর্গ বানাবেন না। গুরুদ্বারা উপাসনার জায়গা। এটি রাজনীতির আখড়া নয়। আপ নেতা-কর্মীরা যা করেছেন সেটি অত্যন্ত ঘৃণ্য রাজনীতি।”
অন্যদিকে আপের বিধায়ক ও পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ জুতো পরে সেদিন গুরুদ্বারের ভিতরে ঢুকে বিক্ষোভকারীদের আটক করেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এসেছে। যদিও দিল্লি পুলিশ ও গুরুদ্বার কর্তৃপক্ষ সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, ভিডিওতে যে অংশ দেখা যাচ্ছে সেটি মূল দরবার হল নয়। বরং জুতো খোলার জায়গায় যাওয়ার সাধারণ করিডোর। পাশাপাশি দাবি করা হচ্ছে, ভিডিওটি অনেক পুরনো। শনিবারের নয়।
এদিকে গুরুদ্বার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, “গুরুদ্বারকে দুর্গ বানাবেন না। গুরুদ্বারা উপাসনার জায়গা। এটি রাজনীতির আখড়া নয়। আপ নেতা-কর্মীরা যা করেছেন সেটি অত্যন্ত ঘৃণ্য রাজনীতি।”
