Hashtagintro

ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে নির্যাতনের ছবি পাঠানোর পরই রহস্যমৃত্যু বধূর, সন্তান না হওয়ায় ‘খুন’?

সন্তান হচ্ছিল না। তা নিয়ে দাম্পত্য অশান্তি লেগেই ছিল। মাঝেমধ্যে তার আঁচ পেতেন বাপের বাড়ির লোকজনও। হোয়াটসঅ্যাপে ভাইকে নির্যাতনের ছবি পাঠানোর পরদিনই রহস্যমৃত্যু বধূর। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ছাব্বিশের নুরবানু বিবির সঙ্গে মালদহের চাঁচল থানার দেবীগঞ্জের বাসিন্দা সামাদ আলির বিয়ে হয়। পাঁচ বছরের দাম্পত্য তাঁদের। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে থাকতেন দু’জনে। বলে রাখা ভালো, নুরবানু সামাদের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী। সামাদের প্রথম পক্ষের দু’টি সন্তান রয়েছে। বাপের বাড়ির দাবি, নুরবানুর নাকি সন্তান হচ্ছিল না। তা নিয়ে দু’জনের অশান্তি হত। নুরবানুর উপর মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন চলত বলেও অভিযোগ।

পরিবারের লোকজনের দাবি, নুরবানু চরম নির্যাতনের ছবি ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়েছিলেন। তারপরই উজ্জয়িনীর ভাড়াবাড়ি থেকে মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার দেহটি মালদহের দেবীগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। স্বামী সামাদই দেহটি নিয়ে আসে। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, দেহ দেখতে নাকি বাধা দেয় সামাদ। প্রবল বিক্ষোভের পর অবশ্য নুরবানুর দেহ বাপের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তবে সেই সময় শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা ছিলেন না। নুরবানুর পরিবারের তরফে সামাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও সামাদের দাবি আত্মহত্যা করেছেন নুরবানু। কাজ থেকে ফিরে তিনি দেহ দেখতে পান বলেই দাবি। খুন নাকি আত্মহত্যা – তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language