পুজোর আর দু’সপ্তাহও বাকি নেই। জোরকদমে চলছে পছন্দের জামা-জুতো কেনাকাটি। সাধারণত ভিড়ের মাঝে কেনাকাটি করা নিয়ে বিশেষ আপত্তি করেন না বহু তরুণীই। তবে বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় পুরুষরা চান না কেনাকাটি করতে যেতে। বিশেষত মহিলাদের পোশাক কিংবা গয়নাগাটি কিনতে যাওয়ার কথা ভাবলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। আর তা নিয়ে সাংসারিক অশান্তি যেন পুজোর আগে ‘হর ঘর কি কাহানি’। তবে জানেন কী সহজ কৌশলে ঝগড়াঝাটি না করে স্ত্রীকে তুষ্ট করা সম্ভব।
পুজোর সময় অনেকেই চান জামা, শখের গয়নাগাটি হাতে ধরে কেনাকাটি করতে। তবে এখন অনলাইনেও পাওয়া যায় প্রায় সব কিছুই। নামীদামী অনলাইন বিপণন সংস্থা থেকে জিনিসপত্র কেনাকাটি করলে গুণমান নিয়ে বিশেষ ভাবনাচিন্তা করতে হয় না। তাই সেই সময় অনলাইন শপিং সাইটের উপর ভরসা রাখুন। সেক্ষেত্রে বাড়িতে বসে ঠান্ডা মাথায় স্ত্রীর সঙ্গে আপনিও পোশাক নির্বাচনে জোর দিন। স্ত্রীর নিজেকে একা মনে হবে না। তাই তিনি রাগ করার সুযোগও পাবেন না। এই সময়ে চাইলে স্ত্রীকে নিজে হাতে তৈরি করে চা কিংবা কফি খাওয়াতে পারেন। তাতে দু’জনেরই মন মেজাজ ভালো থাকবে।

স্ত্রী যদি অনলাইনে কেনাকাটি করতে একেবারেই রাজি না হন সেক্ষেত্রে দোকানে যেতেই হবে। তাই কেনাকাটি করতে যাওয়ার সময় স্থির করার ক্ষেত্রে সাবধানী হোন। পুজোর মরশুমে প্রায় সারাক্ষণই খোলা থাকে দোকানপাট। তাই প্রয়োজনে অফিস থেকে ছোট্ট ছুটির বন্দোবস্ত করুন। একটু তাড়াতাড়ি পেটভর খাওয়াদাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়ুন। কেনাকাটি সেরে নিন বিকেল কিংবা সন্ধ্যার আগে। তাতে ভিড়ভাট্টার ঝক্কি সামলাতে হবে না। সহজেই করা যাবে কেনাকাটি।

যত বেশি নামজাদা প্রতিষ্ঠান, তত বেশি ভিড়। পুজোর সময় বড় শপিং মল এড়িয়ে চলুন। তার পরিবর্তে ছোট দোকানে যাওয়ার চেষ্টা করুন। তাতে শান্তিতে কেনাকাটি করবেন। আবার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও পাশে দাঁড়াতে পারবেন। আবার স্ত্রী-ও খুশি।

কী কিনবেন আর কী কিনবেন না, তা কেনাকাটি করতে বেরনোর আগেই ছকে নিন। তাহলে দিকভ্রান্তের মতো ঘুরে বেরতে হবে না। বরং যে দোকানে যাওয়ার প্রয়োজন সরাসরি সেখানে যান। তড়িঘড়ি করে কেনাকাটি সেরে বাড়ি ফিরে আসুন।

এই সহজ কৌশলগুলি অবলম্বন করলেই পুজোর আগে কেনাকাটি নিয়ে দাম্পত্য অশান্তি এড়ানো সম্ভব।
