ভুটানে হিমবাহ হ্রদ ফেটে জল নেমে এসেছে প্রচুর পরিমাণে। এদিকে উত্তরবঙ্গের সংকোশ নদীতে দেখা দিয়েছে মাছের মড়ক। বিপুল পরিমাণে মরা মাছ ভেসে উঠেছে নদীর জলে। জলের তোড়ে সেই মরা মাছ ভেসে যাচ্ছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার সীমান্ত এলাকায়। স্থানীয়রাও রীতিমতো দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এই ঘটনায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাঁও। কোনওভাবেই এই মাছ বিক্রি করা ও খাওয়া না হয়, সেই জরুরি বার্তা দিলেন মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার রাতে ভুটানের ওই হিমবাহ হ্রদ ফেটে জল নেমেছে নীচের এলাকায়। ভুটানের জল নদী দিয়ে উত্তরবঙ্গের নদীতেও বয়ে এসেছে। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে দেখা গিয়েছে, সংকোশ নদীতে মাছের মড়ক। নদীর চরেও পড়ে থাকছে দেখা গিয়েছে বিপুল পরিমাণে মাছ। সেইসব মাছ সাধারণ মানুষ সংগ্রহ করে নিয়েও গিয়েছে বলে খবর। শুক্রবার সকালেও মাছ সংগ্রহ করতে দেখা গিয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাঁও। মাছের মৃত্যু স্বাভাবিক নয় বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। গতকাল রাতে নদীর জল কালো হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই এই মাছের মড়ক। হিমবাহ হ্রদ ফেটে যাওয়ার কারণে জলে রাসায়নিক মিশে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই জল সংকোশ নদীতে এসে মেশায় এই মাছের মড়ক বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। বনমন্ত্রীর আশঙ্কা, “আগেই কয়েক টন মাছ বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের খাবারের পাতে পৌঁছে গেলে বিপদ হতে পারে। মাছগুলির মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়নি।”
তাঁর মতে কীটনাশক বা বিষক্রিয়ায় মাছের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। কোনওভাবেই ভেসে আসা মরা মাছ সংগ্রহ, বিক্রি, খাওয়া উচিত নয় বলে তিনই জানিয়েছেন। বাজার থেকে মাছ কেনার সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। নদী থেকে তোলা মরা মাছ পাড়েই মাটি চাপা দেওয়ার কাজ চলছে।
