Hashtagintro

ভোটারের চেয়ে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট বেশি! রেজিনগরে অভিষেকের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস কমিশনের

উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়েও তৈরি হল জটিলতা। রেজিনগরের একটি বুথে ভোটার সংখ্যার চেয়ে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট বেশি। এই অভিযোগে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিলেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শুক্রবার এই পোস্টের কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন পালটা তথ্য দিয়ে অভিষেকের অভিযোগ খারিজ করে দিল। পাশাপাশি প্রকাশ্যে এল অভিষেকের মিথ্যাচার ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। কমিশনের তরফে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক ও জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দাবি, সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংখ্যা নিয়ে যথাযথ তথ্য না নিয়েই সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অভিষেক। ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে এভাবে কেন প্রশ্ন তুললেন সাংসদ? তা নিয়ে ক্ষুব্ধ কমিশন।

শুক্রবার উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের সময় বিখ্যাত এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগরের ১০৯ নং বুথে ভোটার সংখ্যা ৭৭২, অথচ সেখানে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পেয়েছেন ৯০৯ টি ভোট! কীভাবে ভোটার সংখ্যার চেয়ে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা অধিক হয়? এনিয়ে চর্চা শুরু হয়।

শুক্রবার উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের সময় বিখ্যাত এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগরের ১০৯ নং বুথে ভোটার সংখ্যা ৭৭২, অথচ সেখানে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পেয়েছেন ৯০৯ টি ভোট! কীভাবে ভোটার সংখ্যার চেয়ে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা অধিক হয়? এনিয়ে চর্চা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেই পরিসংখ্যান। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তা নিজের এক্স হ্যান্ডল পোস্টে শেয়ার করে নির্বাচন কমিশনের দিকে ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগে সরব হন। কিন্তু ওই পরিসংখ্যান কতটা সত্যি, তা যাচাই না করেই অভিষেক ওই পোস্ট করেছেন বলে পালটা অভিযোগ ওঠে।

নির্বাচন কমিশন সাফ জানায়, তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। অর্থাৎ রেজিনগরের ১০৯ নং বুথে মোটেই ভোটার সংখ্যা ৭৭২ নয়, তা ৯৭২। বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ৯০৯। ফলে ভোটার সংখ্যা ও প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে গরমিল রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল, তা একেবারেই সঠিক নয়।

এসবের পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেকের পোস্টের সত্যতা পরীক্ষা করে নির্বাচন কমিশন সাফ জানায়, তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। অর্থাৎ রেজিনগরের ১০৯ নং বুথে মোটেই ভোটার সংখ্যা ৭৭২ নয়, তা ৯৭২। বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ৯০৯। ফলে ভোটার সংখ্যা ও প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে গরমিল রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল, তা একেবারেই সঠিক নয়। কমিশনের তরফে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক ও জেলা নির্বাচনী আধিকারিক পালটা এক্স হ্যান্ডলের পোস্ট করে অভিষেকের অভিযোগকে ‘মিসইনফরমেশন’ বলে চিহ্নিত করেন। এই ঘটনায় স্বভাবতই ফের মুখ পুড়ল মমতা তৃণমূলের জনপ্রতিনিধির।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language