Hashtagintro

মহিলা পুলিশকর্মীদের নিগ্রহ! রাহুলদের আন্দোলন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রের

দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের বিক্ষোভ চলাকালীন মহিলা পুলিশকর্মীদের হেনস্থা করা হয়েছে, তাঁরা আহত হয়েছেন। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে বলেন, “দয়া করে বিক্ষোভের ভিডিও দেখুন। সেখানে মহিলা পুলিশকর্মীদের হেনস্থার ছবি স্পষ্ট। অনেক পুলিশকর্মী আহতও হয়েছেন।” পুলিশকর্মীদের গালিগালাজ করা হলেও তাঁরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন। কংগ্রেসের ওই বিক্ষোভেরও কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই বিক্ষোভ করা চালানো হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার দুপুর থেকে। দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বিরোধী সাংসদদের মধ্যাহ্নভোজনে ডাকেন। ওই মধ্যহ্নভোজনের পরই রাহুল গান্ধী ঘোষণা করে দেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে আমরা সরিয়েই ছাড়ব। ওকে ইস্তফা দিতেই হবে।” রাহুলের ঘোষণার পরই আচমকা যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে শুরু করেন ইন্ডি জোটের সাংসদরা। বাসে করে তাঁরা চলে যান যন্তর মন্তরে। সাংসদরা গাড়ি থেকে নামার পর পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাঁদের। রাস্তায় শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। আশেপাশে ঘিরে ফেলেন অন্য সাংসদরাও। পর একপ্রকার পাঁজাকোলা করে তাঁদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় যন্তর মন্তর থেকে। মহিলা পুলিশরা যখন প্রিয়াঙ্কাদের তোলার চেষ্টা করছেন, তখনই দেখা যায়, রাহুল বারবার ধাক্কা মেরে মহিলা পুলিশকর্মীকে সরানোর চেষ্টা করছেন।

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে বলেন, “দয়া করে বিক্ষোভের ভিডিও দেখুন। সেখানে মহিলা পুলিশকর্মীদের হেনস্থার ছবি স্পষ্ট। অনেক পুলিশকর্মী আহতও হয়েছেন।”

সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয় বিতর্ক। গেরুয়া শিবিরের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, ‘মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে এহেন আচরণ? জনসমক্ষে কীভাবে চলতে হয়, ভদ্রতা,সভ্যতা- সমস্ত কিছুরই অভাব রয়েছে। পিতৃতন্ত্র হঠাতে যতই স্লোগান দিন না কেন, রাহুল গান্ধীর নারীবিদ্বেষকে মুছে ফেলতে পারবে না।’ এবার শীর্ষ আদালতে মামলার শুনানি চলাকালীন যন্তর মন্তরে মহিলা পুলিশকর্মীদের প্রতি হেনস্থার বিষয়টি তুলে ধরলেন সলিসিটির জেনারেল তুষার মেহতা।

এদিনের শুনানিতে বিরোধী সাংসদ কপিল সিবল প্রশ্ন তোলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আগে এইভাবে কেন পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ করা হচ্ছে? এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলে, প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতেই পারে সরকার। কড়াকড়িও হতে পারে। কিন্তু তার জন্য সমস্ত কিছু বন্ধ করে দেওয়া যায় না। দিল্লি সরকারকে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যে সব রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে তার বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, মেট্রো চড়ার অধিকার রয়েছে আমজনতার। সকলে যেন গণপরিবহন ব্যবহার করতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মাছি মারতে হাতুড়ি ব্যবহার করা উচিত নয়।”

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language