আগের মতো জাহাজ তৈরির বরাদ মিলছে না। একের পর এক বরাদ বাতিল হয়ে যাচ্ছে। কর্মীদের বেতনও বকেয়া। রুগ্ন দশা শালিমার ওয়ার্কস লিমিটেডের। প্রতিকারের জন্য পরিবহণমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন কর্মচারীরা। বুধবার সেই আবেদনের পরই বৃহস্পতিবারই কারখানাটির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন মন্ত্রী অর্জুন সিংহ। তিনি বলেন, “পরিবহন দপ্তরের অধীনে এই কারখানাটি পড়ে রয়েছে। এখানে বর্তমানে কোনও কাজ হয় না। পুরো ব্যবস্থাটাকে আগের সরকার নষ্ট করে দিয়েছে। আগামিতে সদ্ব্যবহার আমরা করব।”
গঙ্গার ধারে ফরশোর রোডে রাজ্য সরকারের অধীনে রয়েছে শালিমার ওয়ার্কস লিমিটেড। গত কয়েক বছর কারখানাটি আর আগের মতো জাহাজ তৈরির বরাদ পাচ্ছে না। ফলে কারখানাটি ক্রমশও রুগ্ন হয়ে পড়ছে। তাতেই পরিবহনমন্ত্রীর কাছে পরিকাঠামোর উন্নতির দাবি জানান কর্মচারীরা। কারখানার এক কর্মচারী রবি বর্ধনের অভিযোগ, “কারখানাটিতে আর নজর দেয় না কর্তৃপক্ষ। জাহাজ তৈরির প্রচুর বরাত বাতিল হচ্ছে। কর্মচারীদের লক্ষ লক্ষ টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। মন্ত্রীকে আমরা আমাদের দাবি জানিয়েছি। তিনি সব শুনেছেন। পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস দিয়েছেন।”
বৃহস্পতিবার প্রথমে কারখানাটি ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। তারপর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। বেরিয়ে এসে পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন বলেন, “পরিবহন দপ্তরের অধীনে এই কারখানাটি পড়ে রয়েছে। বর্তমানে কোনও কাজ হয় না। পুরো ব্যবস্থাটাকে আগের সরকার নষ্ট করে দিয়েছে। কালকে এখানকার কিছু কর্মচারী আমার কাছে গিয়েছিল। আমি ভাবলাম আগে নিজে চোখে গিয়ে দেখি অবস্থা কেমন। তারপর যা করার করব। সেই মতোই আমি আজ এখানে কারখানাটি দেখে গেলাম।” তিনি আরও বলেন, “এই কারখানাটি পশ্চিমবঙ্গের সরকার ও স্থানীয়দের কাছে সম্পদ। এত বড় সম্পদের আমাদের ব্যবহার করা উচিত। আগামীদিন এর সদ্ব্যবহার আমরা করব।” কর্তৃপক্ষ অবশ্য এ ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি।
