Hashtagintro

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সর্বক্ষণ চুইংগাম চিবোচ্ছেন! বড় রোগ ডেকে আনছেন না তো?

অনেকেই রয়েছেন এমন, যাদের পকেটে সবসময় মজুদ থাকে চুইংগাম। সকাল-সকাল ট্রেনে বাসে, হাঁটতে চলতে, খাওয়ার শেষে হরহামেশাই চুইংগামের প্যাকেট খুলে মুখের ভিতর চালান করে দেন তাঁরা। কাজের ফাঁকে মুখের একঘেয়েমি কাটানো, খাওয়ার পর মুখে সতেজতা আনা কিংবা দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে—বিভিন্ন কারণেই অনেকে চুইংগাম খান। কিন্তু নিয়মিত চুইংগাম খাওয়া কি শরীরের জন্য ভাল? উত্তরটা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের চুইংগাম (Chewing Gum) খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন তার উপর।

Chewing Gum All Day for Bad Breath? Could It Harm Your Health?

চিনি ছাড়া চুইংগাম মুখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। চিবানোর ফলে মুখে লালারসের পরিমাণ বাড়ে। এই লালারস খাবারের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং মুখের অ্যাসিড কমায়। বিশেষ করে খাবারের পর, চিনি-মুক্ত চুইংগাম চিবোনো দাঁতের ক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হয়।

চুইংগাম মুখের দুর্গন্ধও সাময়িকভাবে কমাতে পারে। পুদিনা বা অন্য ফ্লেভারের গাম মুখে সতেজ অনুভূতি দেয়। তবে এটি মুখের দুর্গন্ধের মূল চিকিৎসা নয়। দীর্ঘদিন দুর্গন্ধ থাকলে দাঁত, মাড়ি বা অন্য কোনও সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

চুইংগাম চিবোনোর সঙ্গে মনোযোগ ও সতর্কতার সম্পর্ক নিয়েও একাধিক গবেষণা হয়েছে। অনেকেই মনোযোগ বাড়াতে, জরুরি কাজের সময় মুখের ভিতর চুয়িং গাম রাখেন। তবে এটিকে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর নিশ্চিত উপায় হিসেবে ধরা ঠিক নয়।

সব চুইংগাম কিন্তু এক নয়!
চুইংগামের উপকারিতা নিয়ে কথা বলার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এর উপাদান। চিনিযুক্ত চুইংগাম নিয়মিত খেলে দাঁতে ক্যাভিটির ঝুঁকি বাড়ে। তবে সুগার-ফ্রি গামও ইচ্ছেমতো খাওয়া উচিত নয়। এতে থাকা কিছু কৃত্রিম মিষ্টিকারক, যেমন সরবিটল বা অন্যান্য সুগার অ্যালকোহল বেশি পরিমাণে খেলে ক্ষেত্রবিশেষে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়া হতে পারে।

Chewing Gum All Day for Bad Breath? Could It Harm Your Health?

কখন সাবধান হতে হবে?
অনেকক্ষণ ধরে বা অতিরিক্ত চুইংগাম চিবোলে চোয়ালের পেশিতে চাপ পড়তে পারে। যাঁদের চোয়ালে ব্যথা, ক্লিক করার সমস্যা বা টিএমজে (TMJ)-এর মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে নিয়মিত চুইংগাম না খাওয়াই ভালো।

কেউ কেউ মনে করেন, নিয়মিত চুইংগাম চিবলে গালের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায়। জ-লাইন তীক্ষ্ণ হয়। বলা বাহুল্য, এমন কোনও নিশ্চিত গবেষণালব্ধ ফল পাওয়া যায়নি।

তাই দাঁতের যত্নের বিকল্প হিসেবে চুইং গামকে গণ্য করা চলে না। দিনে দু’বার ব্রাশ, নিয়মিত ফ্লস করা এবং প্রয়োজনমতো ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়াই মুখের স্বাস্থ্য ভাল রাখার আসল উপায়।

Source: Sangbad Pratidin Health (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Health (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language