১০ অক্টোবর বিরাট প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ব্যাপক কড়াকড়িতে সেই আন্দোলন ভেস্তে গিয়েছে। তবে ককরোচরা আবারও পথে নামতে চলেছে। সেই জন্য পুলিশকে আলটিমেটাম দিয়ে দিয়েছেন সিজেপি নেতারা। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি পুলিশকে প্রতিবাদের স্থান এবং অন্যান্য তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। এই আলটিমেটামের পরই দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দিল, যন্তরমন্তর আর প্রতিবাদের মঞ্চ হতে পারবে না। কিন্তু ককরোচ নেতা অভিজিৎ দীপকের হুঙ্কার, এবার গোটা দেশই যন্তরমন্তরে পরিণত হবে।
অতীতে যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে সিজেপি। কিন্তু দিল্লি পুলিশ প্রতিবাদীদের জন্য যন্তরমন্তর বন্ধ করে রেখেছে। সেকারণেই ১০ অক্টোবর ককরোচদের কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি। এই বিষয়টি নিয়ে দিল্লি হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে পিটিশন। যন্তরমন্তর কেন বন্ধ করা হল, কেনই বা প্রতিবাদীদের জন্য বিকল্প স্থানের ব্যবস্থা করেনি দিল্লি পুলিশ-এই মর্মে দায়ের হওয়া পিটিশন শোনা হবে মঙ্গলবার। সেই সঙ্গে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনও মামলা করেছে প্রতিবাদীদের উপর দুষ্কৃতীদের নির্যাতন নিয়ে।
যাবতীয় পিটিশনের শুনানি হবে মঙ্গলবার। দিল্লি হাই কোর্টের এই সিদ্ধান্তের আগেই দিল্লি পুলিশকে আলটিমেটাম দিয়েছে সিজেপি। সোমবার দলের দুই কো কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস গিয়েছিলেন পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায়। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমরা দিল্লি পুলিশের কাছে অনুরোধ করেছি যেন যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ করার জন্য আমাদের একটা দিন নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। আশা করি দিল্লি পুলিশ এই কথা শুনবে। সেটা যদি না হয়, তাহলে ২৪ ঘণ্টা পর আমরা নতুন পদক্ষেপ করব। আমরা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিচ্ছি।
উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবরের প্রতিবাদ উপলক্ষে ককরোচদের নেতা-কর্মীরা অনেকেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন। আপাতত তাঁদের দিল্লি ছাড়তে বারণ করা হয়েছে সিজেপির তরফ থেকে। ককরোচরা আলটিমেটাম দেওয়ার পরেই অবশ্য দিল্লি পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যন্তরমন্তর এখন আর প্রতিবাদস্থল হিসাবে গণ্য হবে না। পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং সিবিডি ময়দানে প্রতিবাদ কর্মসূচি হতে পারে। তবে সেখানে ককরোচদের জমায়েত হবে কিনা, তা নিয়ে মুখ খোলেনি দিল্লি পুলিশ।
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
