টিম ইন্ডিয়ায় জায়গা হোক বা না হোক। মহম্মদ শামির হাত থেকে আজও আগুন ঝরে। বিশ্বের অনেক ব্যাটার তা ভালোমতোই জানে। এবার সেই আগুনে পুড়ল দিল্লির ব্যাটাররা। রনজি ট্রফিতে বাংলার প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট তুলে নিলেন শামি। প্রথম দিনের শেষে দিল্লিকে মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা। তবু কেন দিনের শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শামি?
দিনকয়েক আগে টিম ইন্ডিয়ায় কামব্যাক হয়েছে ভুবনেশ্বর কুমারের। এবার কি শামির পালা? যার জবাবে তিনি বলেছিলেন, জাতীয় দলে সুযোগ না পেলে সেটা টিমের ক্ষতি, তাঁর নয়। শুধু মুখে নয়, পারফরম্যান্সেও জবাব দিলেন বাংলার পেসার। এদিন কল্যাণীতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। শামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমারের পেসের সামনে শুরু থেকেই হিমশিম থেকে থাকে দিল্লি। ১২ রানের মাথায় প্রথম আঘাত করেন আকাশ দীপ।
তারপর যশ ধুলকে ফেরান শামি। অন্যদিকে আমির গনির স্পিনের কোনও উত্তর ছিল না দিল্লির কাছে। ৪৫ রান দিয়ে তিন উইকেট তোলেন গনি। দিল্লি অধিনায়ক আয়ুষ বাদোনিকে ফেরান মুকেশ কুমার। আকাশের শিকার দুই। বাকিটা শামির কামাল! ১৭ ওভার বল করেন। ৯ মেডেন। মাত্র ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তারকা পেসার। শেষমেশ মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে যায় দিল্লি। এবার বাংলার ভাগ্য ব্যাটারদের হাতে।

দিনের শেষে কিন্তু বেশ ক্ষুব্ধ শামি। কী ব্যাপার? আসলে কল্যাণীর পিচ নিয়ে অসন্তুষ্ট বাংলার পেসার। তিনি বলেন, “আমাদের দলের মতো পেস অ্যাটাক অন্য দলে নেই। কিন্তু কল্যাণীর পিচে আমরা তার সুবিধা পাই না। তাহলে হোম অ্যাডভান্টেজের মানে কী? আমি এর আগে বহুবার এই নিয়ে বলেছি। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। তাই এখন বলা ছেড়ে দিয়েছি।” যার পালটা দিয়েছেন পিচ কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “পিচ যথেষ্ট ভালো। উইকেটকিপার অভিষেক পোড়েলের বুকের কাছে বল আসছে। দিল্লি ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে। তাহলে কী চায়? বিপক্ষ লাঞ্চের আগে অলআউট হয়ে যাক? এই পিচে বাংলাকেও তো ব্যাট করতে হবে।”
