Hashtagintro

রাঁচিতে মদ্যপ বাঁদরের দেদার ফুর্তি! এলাকায় হইহই, তারপর…

‘মুজকো পিনা হ্যায় পিনে দো’। কে করবে কাকে বারণ? মন যখন চেয়েছে, তখন পান করবেন বইকি! ‘চিয়ার্স’ বলার অধিকার সকলেরই আছে। এমনকী বনবাসীরও। নেই কি? ছিপি খুলে একটু ‘সন্ধ্যা জমানোর’ ইচ্ছা হতেই পারে। আর তাই তো মদের দোকানে দেখা গেল লেজওয়ালা সুরাপ্রেমীর। তিনি কাউন্টারে গেলেন। চুমুক দিলেন। তারপর চিৎপটাং। অবাক হচ্ছেন?

ঘটনাটি ঝাড়খণ্ডের। রাঁচির ওরমাঞ্জি এলাকার। সেখানে এক ওয়াইন শপে হঠাৎই ঢুকে পড়েছিল এক মাদী বাঁদর। আর তার পর? যা ঘটল, তা দেখে চোখ চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের!

শুক্রবার হুট করেই দোকানের ভেতর ঢুকে পড়ে সেই চঞ্চল অতিথি। তাকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই চমকে যান কর্মীরা। তাড়াতে গিয়ে উলটে বিপত্তি ডেকে আনলেন তারা। জানা গিয়েছে, ভয় পেয়ে বা মেজাজ হারিয়ে দোকানদারকে সটান এক কামড় বসিয়ে দেয় বাঁদরটি। ব্যস, নিরাপত্তার খাতিরে রণে ভঙ্গ দিয়ে কর্মীরা দোকান ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কাউন্টার খালি পেয়ে একাই রাজত্ব শুরু করে সে।

কাউন্টারে রাখা চেনা-অচেনা রকমারি বোতলের ভিড়ে তার নজর আটকে যায় একটি মদের বোতলে। কোনও দ্বিধা না রেখে বোতলটি তুলে নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পান করতে শুরু করে! বোতল থেকে সোজা গলায় ঢালল বিলেতি সুরা। কিন্তু সুরার তেজ সামলানো কি অতই সহজ? বেশ কয়েক চুমুক পেটে যেতেই নামল মোহাচ্ছন্নতা। নেশার ঘোর কাটাতে না পেরে দোকানের মেঝেতেই সটান এলিয়ে দিল শরীর। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয়ে গেল নাক ডাকা ঘুম! সে বড় শান্তির ঘুম।

‘মাতাল বাঁদর’কে দেখতে দোকানের সামনে জটলা বেঁধে যায়। কৌতূহলী মানুষ মোবাইলে সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে শুরু করেন। মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিও।

অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডাকতে হয় বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দলকে। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘোরের মধ্যে থাকা বাঁদরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করার চেষ্টা শুরু করেন। উইকএন্ডের শুরুতেই বাঁদরামির এমন ‘মাতাল’ রসদ পেয়ে হাসির রোল উঠেছে নেটপাড়াতেও।

Source: Sangbad Pratidin Viral (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Viral (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language