রাজ্যে আরএসএসের বিস্তার হয়েছে সর্বস্তরে, বেড়েছে শাখার সংখ্যা। আর তার প্রমাণ মিলল সংঘের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ‘প্রখণ্ড’ বা স্থানীয় স্তরে শনিবার বিশেষ কর্মসূচি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। জেলায় জেলায় প্রতিটি প্রখণ্ড ও শাখায় শনিবার সকালে গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি স্বয়ংসেবকদের নিয়ে ব্যায়াম ও যোগচর্চার আয়োজন করা হয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় স্বয়ংসেবকরা সংঘের ইউনিফর্ম পরেই পদযাত্রায় অংশ নেন। যে সংঘ এতদিন শাখাতেই আবদ্ধ থাকত, সেই সংঘের বিস্তার ও কর্মকাণ্ড রাজ্যের সর্বত্র দেখা গেল।
নদিয়ার তেহট্টে আরএসএস খণ্ডের উদ্যোগে বিশেষ ‘পথ সঞ্চলন’ কর্মসূচি হয়েছে। মধ্যবঙ্গ প্রান্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই পুণ্য একত্রীকরণ ও পথ সঞ্চলনের আয়োজন করা হয়েছিল। তেহট্ট উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এই পথ সঞ্চালন শুরু হয়। এর পর বর্ণাঢ্য মিছিলটি হাউলিয়া মোড়, জিতপুর মোড়, তেহট্ট বাজার ও বর্গিডাঙা পাড়া পরিক্রমা করে। তেহট্ট খণ্ডের অন্তর্গত প্রচুর স্বয়ংসেবক পূর্ণ গণবেশে সুশৃঙ্খলভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
নদিয়ার তেহট্টে আরএসএস খণ্ডের উদ্যোগে বিশেষ ‘পথ সঞ্চলন’ কর্মসূচি হয়েছে। মধ্যবঙ্গ প্রান্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই পুণ্য একত্রীকরণ ও পথ সঞ্চলনের আয়োজন করা হয়েছিল। তেহট্ট উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এই পথ সঞ্চালন শুরু হয়। এর পর বর্ণাঢ্য মিছিলটি হাউলিয়া মোড়, জিতপুর মোড়, তেহট্ট বাজার ও বর্গিডাঙা পাড়া পরিক্রমা করে। তেহট্ট খণ্ডের অন্তর্গত প্রচুর স্বয়ংসেবক পূর্ণ গণবেশে সুশৃঙ্খলভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তেহট্ট খণ্ড কার্যবাহ তুষার সাধুখাঁ জানান, ঐতিহ্য ও সংঘ শক্তির বিকাশে এই ধরনের পথ সঞ্চালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংঘকে সকলের কাছে পৌঁছতে হবে। যত বেশি সম্ভব মানুষের মন ছুঁতে হবে। এই মন্ত্রে আরএসএস-কে সর্বস্পর্শী হওয়ার বার্তা দিয়ে গিয়েছেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দু’দিন বর্ধমানে সংঘের বৈঠক সেরে শনিবার সকালেই তিনি কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান। বর্ধমানে মধ্যবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ প্রান্তের সংগঠকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। সেখানে সংগঠনের সাংগঠনিক রদবদল এবং বিস্তারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ভাগবতের বঙ্গ সফর নিয়ে আরএসএসের মধ্যে যেমন উৎসাহ বেড়েছে, তেমনই পদ্মনেতারাও আগ্রহী।