রাষ্ট্রবাদী সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র রুখতে সকলকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও ছারপোকাদের থেকে সাবধান থাকারও পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘চারিদিকে অনেক ছারপোকা বেরিয়েছে, হালকাভাবে নেবেন না।’ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যে তাঁর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর হুঁশিয়ারি, দেশের ভিতরে এই সব ‘ছারপোকা’রা ঢুকে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
রবিবার, আলিপুরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান থেকে তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘করুণ’ পরিণতি হল। তিনি জানান, হিন্দু ধর্ম, হিন্দু সংগঠন, হিন্দু দেবদেবী ও পরম্পরা ও সংস্কৃতিকে আঘাত করেছিলেন বলেই গণতান্ত্রিকভাবে মমতার এই পরিণতি হয়েছে। কলকাতাকে ‘ডিভোশনাল ক্যাপিটাল’ বলেও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিগত সরকারের আমলে গোটা বাংলায় ধর্ম দেখে অত্যাচারের খতিয়ানও তুলে ধরেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গও।
দেশজুড়ে রাষ্ট্রবাদী সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও ইঙ্গিত দেন শুভেন্দু। বর্তমান সরকারের আমলে রাজ্যের মাটিতে এসব করা যাবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। ফের একবার তিনি জানিয়ে দেন, যতদিন বিজেপি সরকার আছে ততদিন রাজ্যে কোনও সন্ত সাধুর অপমান বরদাস্ত করা হবে না। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার অপমানও কড়া হাতে দমন করেছিল সরকার।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “মোদিজি ভারতবর্ষকে বিশ্বগুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু ভিতরে যারা ঢুকে আছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ঐক্যবদ্ধ, সংঘবদ্ধ হতে হবে। প্রশাসনকেও ব্যবস্থা নিতে হবে। ৬ মাসের মধ্যে লভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ, ধর্ম পরিবর্তন কঠোর ও কঠিন আইন এনে বন্ধ করব। “
