ভোটে জিতে আশপাশের পরিবেশ বদলে দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন, করেছিলেন সুস্থ সমাজ ফিরিয়ে আনার পণও। শুধু কথার কথা নয়, শপথ মেনে একের পর এক কাজ করে চলেছেন বারাকপুরের তরুণ বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। রবিবার ফের তাঁর সেই কর্তব্যনিষ্ঠা দেখা গেল। সেবা সংকল্প অভিযান ক্যাম্পে যাওয়ার পথে রাস্তার ধারে সাট্টার ঠেক নজরে আসতেই দ্রুত ‘অ্যাকশন’ নিলেন কৌস্তভ। গাড়ি থামিয়ে সঙ্গীদের নিয়ে সেখানে হানা দেন তিনি। দু’জনকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিধায়কের এই ভূমিকায় সকলে প্রশংসা করছেন। স্থানীয়রা বলছেন, এভাবে কাজ হলে দ্রুত পরিবেশ বদলে যাবে।
গোটা বিষয়টি নিয়ে কৌস্তভ বলেন, ‘‘রাস্তার ধারে বসে সাট্টার প্যাড লেখা হচ্ছে দেখলাম। পাশে মদের বোতল। জুয়া, সাট্টা, মদের জন্য কত পরিবার সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে। সমাজকে ভালো করতে গেলে এই ধরনের বেআইনি ঠেক বন্ধ করতেই হবে।”
রবিবার সকালে টিটাগড় পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডোমপট্টি এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন বারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে তাঁর চোখে পড়ে, প্রকাশ্যে সাট্টার ঠেক, টিকিট বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামিয়ে কৌস্তভ সঙ্গীদের নিয়ে এগিয়ে যান। তাঁকে দেখে পালাতে যাচ্ছিল সেখানকার লোকজন। কিন্তু দু’জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বিধায়কের সঙ্গীরা। পরে খড়দহ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এলাকায় যাতে আর কোনওরকম বেআইনি কার্যকলাপ না হয়, তার জন্য কড়া হুঁশিয়ারিও দেন।
গোটা বিষয়টি নিয়ে কৌস্তভ বলেন, ‘‘রাস্তার ধারে বসে সাট্টার প্যাড লেখা হচ্ছে দেখলাম। পাশে মদের বোতল। জুয়া, সাট্টা, মদের জন্য কত পরিবার সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে। সমাজকে ভালো করতে গেলে এই ধরনের বেআইনি ঠেক বন্ধ করতেই হবে।” এমন ঘটনা দেখলে সাধারণ মানুষকেও প্রতিবাদে এগিয়ে আসার আবেদন জানান তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই কারবারে আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
