Hashtagintro

লক্ষ্মী যেন যেতে না পারে, দশমীতে কালনার এই মন্দিরে বন্ধ হয় দরজা

নারায়ণের সঙ্গে লক্ষ্মী যাতে চলে না যান, তাই দশমীতে বন্ধ করে দেওয়া হয় দুর্গামন্দিরের দরজা। সন্ধিপুজোয় ১০৮টি নয়, লাগে ২৮টি পদ্ম ও প্রদীপ। বৈদ্যুতিক আলোর বদলে মোমবাতি আর ঘিয়ের প্রদীপের আলোয় হয় আরাধনা। পটে পুজো করা হয় দেবী চামুণ্ডার। এমনই নানা বৈশিষ্ট্যে অনন্য কালনা শহরের সিদ্ধেশ্বরী মোড়ের ব্যানার্জি পরিবারের দুর্গোৎসব। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের আদি বাস ছিল নদিয়ার বড়বেলুনে।

মহামারীর কারণে সেখান থেকে কালনায় চলে আসেন পূর্বপুরুষেরা। প্রথমে পটে, পরে প্রতিমা গড়ে শুরু হয় পুজো। এখানে বোধনের সময় নারায়ণশিলার বদলে প্রতিষ্ঠা করা হয় চাঁদেশ্বর শিবকে। নবপত্রিকার স্নানও হয় পুজোদালানে। দুর্গার কাঠামোয় রং দেওয়া থেকে প্রতিমা সাজানো-সবই করেন পরিবারের সদস্যেরা। ভোগেও রয়েছে বিশেষত্ব। সপ্তমীতে সাত, অষ্টমীতে আট এবং নবমীতে ন’ রকমের ভাজা নিবেদন করা হয় দেবীকে। প্রতিদিন থাকে খিচুড়ি। নবমীতে তার সঙ্গে পোলাওও দেওয়া হয়। দশমীতে নারায়ণকে নিবেদন করা হয় পায়েস। আখ ও ছাঁচি কুমড়ো উৎসর্গ করা হলেও বলির রীতি নেই।

সপ্তমীতে নারায়ণ মন্দির থেকে নারায়ণশিলাকে দুর্গামন্দিরে আনা হয়। দশমীতে ফেরত নিয়ে যাওয়ার সময় লক্ষ্মীকে ধরে রাখার প্রতীকী রীতি পালন করেন পরিবারের মহিলারা। বন্ধ থাকে মন্দিরের দরজা। সন্ধিপুজোয় মহিলাদের হাতে ও মাথায় পাত্রে ধুনো পোড়ানোর প্রথাও রয়েছে। বনেদি বাড়ির এই প্রাচীন পুজো দেখতে প্রতি বছর ভিড় জমান এলাকার মানুষ।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language