লাদাখের প্রতিটি রাস্তায় এখন খোলা হচ্ছে পানশালা। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছিলেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। কিন্তু সেই দাবি খারিজ করে দিল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির প্রশাসন। তারা জানিয়ে দিয়েছে, এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। একটি বিবৃতি আবগারি দপ্তর জানিয়েছে, গোটা লাদাখজুড়ে মাত্র একটি মদের দোকান চালু রয়েছে। একইসঙ্গে তারা ভুল তথ্য ছড়ানোরও অভিযোগ তুলেছে সোনমের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি নয়াদিল্লির লাদাখ ভবনে ভাষণ দেন সোনম। সেখানে তিনি লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগ আনেন। দাবি করেন, লাদাখের অলিতে গলিতে মদের দোকান খোলা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন বহু মহিলা। তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দাদের বারবার আপত্তি সত্ত্বেও বিভিন্ন এলাকায়, এমনকী স্কুলের অদূরেও পানশালা খোলা হচ্ছে। সোনম লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিরুদ্ধে মদের সহজলভ্যতা বাড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ এনেছেন। তাঁর প্রশ্ন, গুজরাট যখন একটি ‘ড্রাই’ রাজ্য, তখন লাদাখে কেন মদ্যপানকে উৎসাহিত করা হচ্ছে?
প্রশাসন জানিয়েছে, ঘোষিত নয়া আবগারি নীতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের আপত্তির কারণে গত ২৬ আগস্ট তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এই নীতিতে মদের দোকানের সংখ্যা ২টি থেকে বাড়িয়ে ২০টি করার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। পূর্বের আবগারি নীতিই কার্যকর করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে লাদাখে একটি মাত্র মদের দোকান রয়েছে। তবে রেস্তরাঁর সঙ্গে যুক্ত মদের দোকন রয়েছে ৫০টি। লেহতে ৩৮টি, নুব্রাতে ৭টি, জান্সকারে ৩টি এবং চাংথাং-এ ২টি। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে মদের দোকান খোলার অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, স্কুল, ধর্মীয় স্থান এবং হাইওয়ে থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম মেনেই লাইসেন্স দেওয়া হয়।
