রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে রয়েছে ‘ইন্ডি’ জোটের মেগা সমাবেশ। ইতিমধ্যেই বিক্ষোভ স্থলে শুরু হয়েছে জমায়েত। হুড খোলা গাড়িতে রামলীলা ময়দানে আসছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। পালটা শিখ-দাঙ্গা মনে করিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে বিঁধলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। বলেন, “শিখ দাঙ্গা মহাপাপ। আজও ক্ষমা চায়নি কংগ্রেস। পরিকল্পনা করেই আজকের দিনটিকে বিক্ষোভের জন্য বেছে নিয়েছে হাত শিবির।” একইসঙ্গে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি।
রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা বলেন, “নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্যই কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা এই ধরনের বিক্ষোভ করছে। এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ। গান্ধী পরিবারের রাজনীতির বিশেষ এক মডেল রয়েছে, তা হল মিথ্যা ও গুজব ছড়ানো। অস্থিরতা তৈরি করা। অর্থনীতির ক্ষতিসাধন করা এবং সর্বোপরি একটি নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা। এর নেপথ্যে বিদেশি শক্তি রয়েছে।” রাহুলকে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, “ভারত কোনও দুর্বল রাষ্ট্র নয়, যেখানে যে কেউ সহজেই অগ্নিসংযোগ বা দাঙ্গা উসকে দিতে পারে কিংবা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারে।”
বলে রাখা ভালো, ১ নভেম্বর ভারতের ইতিহাসে এক রক্তাক্ত দিন। ১৯৮৪ সালে ৩১ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরবর্তী দাঙ্গায় রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বলি হতে হয়েছিল শিখ সম্প্রদায়ের মানুষকে। কিন্তু সেই দিনটিকেই বিক্ষোভের জন্য বেছে নিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। তা নিয়ে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন নাড্ডা। তিনি বলেন, “আজকের দিনটিতে দাঙ্গায় নিহতদের স্মরণ করা উচিত ছিল। গান্ধী পরিবার শিখ-দাঙ্গার জন্য কোনওদিন ক্ষমা চায়নি। কিন্তু বিশেষ এই দিনটিতেই বিশৃঙ্খলা তৈরির ডাক দেওয়া হয়েছে।” নাড্ডার কথায়, “দেশের জনগণ এই ফাঁদে পা দেবে না। মানুষ ষড়যন্ত্র বুঝে গিয়েছে। উৎসবের মরশুলে বিরোধীদের এই বিক্ষোভের জেরে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।”
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
