শিশুকন্যাকে অপহরণ করে খুন! অভিযুক্ত অভিজাত আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার শিশুকন্যার দেহ। মিলল আবাসনেরই ক্লাবহাউসের সেল থেকে।প্রাথমিকভাবে অনুমান, ২০ লক্ষ টাকার মুক্তিপণ চাওয়ার পরিকল্পনা করে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী। ঘটনায় অভিজাত আবাসনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আতঙ্কে বাসিন্দারা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার কৌকূর এলাকার একটি ‘ভিলা’ আবাসনে। তদন্তে পুলিশ।
শিশুকন্যার বাবা পেশায় কৃষি বিজ্ঞানী। মেয়েকে নিয়ে থাকতেন তেলঙ্গানার ওই অভিজাত আবাসনে। শনিবার সকালে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে মেয়েটি। বিস্তর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন বাবা। কিন্তু কোনও খোঁজ মেলেনি। অবশেষে পুলিশে নিখোঁজ অভিযোগ জানানো হয়। তদন্তে নামে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হয় আবাসন ও এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। সেই ফুটেজেই দেখা যায়, শিশুকন্যার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরছেন আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী বিত্রুম। সেই মোতাবেক তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতেই আবাসনের ক্লাব হাউসের সেল থেকে শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত বিক্রম শিশুকন্যার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরছিল। শুধু তাই নয়, বিগত কয়েকদিনের ফুটেজে ওই নিরাপত্তারক্ষীকে সন্দেহজনক অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই নিরাপত্তারক্ষী পলাতক। অভিযুক্তের খোঁজে ১০টি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। বোলারাম থানার পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের প্রাথমিক অনুমান অভিযুক্ত সেকেন্দরাবাদের রেল স্টেশনের দিকে গিয়েছেন। ট্রেন ধরে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষেছে। কী করে এমন অনুমান, তদন্তকারীরা জানিয়েছেন বিক্রমের মোবাইল ফোনের সূত্রে এই তথ্য মিলিছে। শিশুটির দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে ফরেনসিক দল। তদন্ত চলছে।
