নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে শুরু ভোটগণনা। স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। কমিশনের অনুমতিপত্র ছাড়া সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই কারও। পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই দেখা যাচ্ছে দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। শুরুতেই বাকিদের অনেকটা পিছনে ফেলে দিয়েছেন হাসিরানি রথ ও শাখারভ সরকার।
বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম আসনটি অত্যন্ত তাৎপর্য। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনে ওই আসনে জিতেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তিনি ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুটো আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ফলে নিয়ম মেনে একটি ছাড়তেই হত। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেওয়ায় সেই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে রেজিনগর ও নওদা, দুটো আসনেই জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। তাঁকেও নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয়, তাই উপনির্বাচন হয় রেজিনগরেও। ভোটের দিনেই মোটের উপর স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নন্দীগ্রাম তো ছিলই, এবার রেজিনগরেও ফুটবে পদ্ম। ভোট শেষের আগেই হতাশ হয়ে ভোট কেন্দ্র ছেড়ে ছিলেন হুমায়ুনের প্রার্থী। এদিন সকালে গণনাকেন্দ্রেও দেখা গেল না তাঁদের।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
