দিন তিনেক বাদেই মহালয়া, দেবীপক্ষের সূচনা। এখন শেষবেলার পুজোর শপিংয়ে ব্যস্ত বাঙালি। কর্মব্যস্ততার মাঝে একটু ফুরসৎ খুঁজে পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে দোকানে দোকানে ঢুঁ মারছেন অনেকে। কিন্তু এই ঘোরাঘুরির মাঝে বাদ সাধবে না তো বৃষ্টি? এই চিন্তাও থাকছে। হাওয়া অফিস অবশ্য খুব ভালো খবর শোনাতে পারেনি। বুধ ও বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি সেভাবে বাধা না হলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। ফলে কিছুটা ঘেমেনেয়েই পুজোর কেনাকাটা করতে হবে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর তিনটি অক্ষরেখার প্রভাব রয়েছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা সক্রিয়, বিহার থেকে ওড়িশা পর্যন্ত আরেকটি অক্ষরেখা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে মধ্য মহারাষ্ট্র পর্যন্ত আরও একটি অক্ষরেখার প্রভাব পড়েছে বাংলার আবহাওয়ায়। রাঁচি, রায়পুর এবং বারামতীর উপর দিয়ে রয়েছে বর্ষার বিদায়রেখা। বিহার, ঝাড়খণ্ডের কিছু এলাকা থেকে বর্ষা বিদায়ের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে সপ্তাহান্তে।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা। বৃহস্পতিবারও একইরকম আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে।
উত্তরবঙ্গে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দু-এক জেলায় হতে পারে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টি। পার্বত্য জেলাগুলিতে বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা। সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হওয়া বইতে পারে। শনিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা ক্রমশ কমবে।