সপ্তমীতে দিনভর প্যান্ডেল হপিংয়ের প্ল্যান। সকালেই সাজগোছ মেক-আপ সেরে বেরিয়ে পড়তে হবে সারাদিনের নামে। কিন্তু সকালে লাগানো লিকুইড লিপস্টিক সন্ধে পর্যন্ত থাকবে তো? সারাদিনের ধুলো-ধোঁয়া তো রয়েছেই। ঘেমে গেলে রুমাল অথবা ওয়াইপ দিয়ে মুখ মুছতে হবে। তাছাড়া কোল্ড ড্রিঙ্কস অথবা তৈলাক্ত খাবার খেলেও লিপস্টিক উঠেই যাবে এক সময়। প্যাকেটে ‘ট্রান্সফার প্রুফ’ লেখা রয়েছে মানেই যে তা দীর্ঘ সময় টিকবে, এমনটা জোর দিয়ে বলা যায় না।
কী করবেন তাহলে? সঙ্গে লিপস্টিক নিয়ে বেরোতেই পারেন। তবে সবসময় তা দিয়ে টাচ-আপ করা সম্ভব হয় না। তাই সবার প্রথমে খেয়াল করতে হবে, লিকুইড লিপস্টিক লাগানোর সময় এই ভুলগুলি করছেন কি না।

১। ঠোঁট যদি অতিরিক্ত শুষ্ক হয় বা ফেটে থাকে, তবে লিপস্টিক লাগানোর পরেও সহজেই উঠে যায়। তাই সবার আগে লিপ বাম ব্যবহার করে ঠোঁট ময়েশ্চারাইজ করে নিন। এতে লিপস্টিক ভালোমতো বসবে ও দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকবে।
২। লিপ লাইনার ব্যবহার করুন। অনেকেই মনে করেন, লিপ লাইনারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু আসলে তা নয়। লিপস্টিক লাগানোর আগেই যদি লিপ লাইনার দিয়ে ঠোঁটের চারপাশের রেখা এঁকে নেন, তবে এতে লিপস্টিক ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
৩। ঠোঁটের উপর লিপস্টিকের এক বা দু’টি কোট যথেষ্ট। বারবার লিপস্টিক ঘষলে, তা ঠিকমতো বসে না ঠোঁটে। অল্প সহজেই ছড়িয়ে যেতে পারে। গাঢ় রং চাইলে তেমনই লিপস্টিক বেছে নিন, যার এক-দুই কোটেই মনমতো রং পাওয়া যাবে।
৪। অভ্যাস না থাকলে লিকুইড লিপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো। লিকুইড লিপস্টিক তুলনামূলকভাবে বেশি স্টিকি হয়। ফলে তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে, এক অংশে গাঢ়, অন্য অংশে হালকা হয়ে থাকে। ঘেঁটেও যায় সহজেই।
৫। বুলেট লিপস্টিক লাগানোর পর অনেকে দুই ঠোঁট ঘষে তা সমান করে নেন। ভুলেও লিকুইড লিপস্টিকের ক্ষেত্রে এমনটা করবেন না। এতে লিপস্টিকের ফিনিশ নষ্ট হতে পারে।

৬। লিকুইড লিপস্টিক লাগানোর সময় প্রথমে নিচের ঠোঁটে অল্প করে লাগিয়ে নিন। তারপর উপরের ঠোঁটে লাগিয়ে প্রয়োজনমতো ব্লেন্ড করুন। এতে অতিরিক্ত প্রোডাক্ট জমে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
সাজের ক্ষেত্রে সবার প্রথম গুরুত্ব দিন স্বাচ্ছন্দকে। যা পরে, যেমন সেজে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবেন, তাই হয়ে উঠুক আপনার এবারের পুজোর লুক।
