খবরে ভেসে থাকার জন্য দিল্লি কেন বাংলাদেশও চলে যান। কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলকে মানুষ বর্জন করেছে। সর্বস্ব খুইয়ে দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা ও পরে আটক হওয়ার ঘটনায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে খোঁচা দিলেন দিলীপ ঘোষ। ককরোচ আন্দোলনে বিদেশি অর্থসাহায্য ও রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত কাজ করছে বলে দাবি করলেন তিনি।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল দিল্লির রাজপথ। সেই নিয়ে দিলীপ বলেন, “বিদেশি ফান্ডিং, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির কাজ। এরা এই রকম করতেই থাকে। আন্দোলন করছে, করুক।”
রবিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সেখানে সাংবাদিকরা তাঁকে দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আটক ও ‘আরশোলা’দের আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করেন। দিলীপের সাফ জবাব, মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। খবরে ভেসে থাকার জন্য এই কাজ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “সম্পূর্ণভাবে মানুষের দ্বারা বর্জিত। রেজিনগরের মতো আসন যা তৃণমূল-কংগ্রেসের কাছে ছিল। সেখানে টিএমসির দুই দল মিলিয়ে ৩ শতাংশ ভোটও পায়নি। এই ধরনের পার্টির অস্তিত্ব নেই। দিল্লিতে যান, বাংলাদেশে আন্দোলন হচ্ছে। খবরে ভেসে থাকার জন্য সেখানেও চলে যান। তাতে পার্টির কোনও লাভ হবে না।”
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল দিল্লির রাজপথ। ককরোচদের আন্দেলনে দিল্লি কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছে। শনিবার দিনভর উত্তাল থেকেছে যন্ত্রর মন্তর চত্বর। সেই নিয়ে দিলীপ বলেন, “বিদেশি ফান্ডিং, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির কাজ। এরা এই রকম করতেই থাকে। আন্দোলন করছে, করুক। এটা চক্রান্ত বোঝাই যাচ্ছে। সরকার ভরসা করতে পারবে না। ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে মানুষের স্বার্থে। ওরা আন্দোলন করছে করুক।”
