মেট্রোর ট্র্যাকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। তবে শুক্রবার সকালে এক অন্য দৃশ্যের সাক্ষী পাতালপথের যাত্রীরা। এদিন শোভাবাজারে মেট্রোর ট্র্যাকে নেমে পড়ল পথকুকুর! বিষয়টা কর্তৃপক্ষের নজরে পড়তেই ট্র্যাকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। শুরু করা হয় কুকুরটিকে উদ্ধারের কাজ। ফলে আপ ও ডাউন লাইনে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ব্যহত হয় পরিষেবা। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা।
মেট্রো মানেই নিরাপত্তার ঘেরাটোপ। পাতালে প্রবেশের জন্য প্রতিযাত্রীর ব্যাগ পরীক্ষা করাই দস্তুর। এরপর টিকিট পাঞ্চ করলে তবেই প্রবেশ করা যায় ভিতরে। সর্বক্ষণ নজরদারির জন্য থাকেন কর্মীরা। কিন্তু সেই চোখ এড়িয়েই শুক্রবার সকালে মেট্রো স্টেশনে ঢুকে পড়ে একটি চায়পেয়ে। এদিন ৭ টা বেজে ৩৮ মিনিটে দক্ষিণশ্বের থেকে ছেড়ে আসা মেট্রো শ্যামবাজারে পৌঁছতেই থমকে যায়। বেশ কিছুক্ষণ আটকে থাকে রেকটি। স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপরই মেট্রোর তরফে জানানো হয়, শোভাবাজারে ট্র্যাকে নেমে পড়েছে একটি কুকুর। তড়িঘড়ি লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কুকুরটিকে উদ্ধার করা হয়। মিনিট দশেক পরে স্বাভাবিক হয় মেট্রো।
এই ঘটনা প্রথম নয়। ২০২৫ সালে কালীপুজোর সময় বাজির শব্দ থেকে বাঁচতে সটান মেট্রোয় উঠে পড়েছিল একটি কুকুর। এদিন ফের দেখা গেল নিরাপত্তার ঘেরাটোপ এড়িয়ে মেট্রোয় চারপেয়ে। কিন্তু কীভাবে? বারবার একই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে মেট্রো কর্মীদের ভূমিকা। যাত্রীদের একাংশের দাবি, একাধিক কর্মী কর্তব্যরত অবস্থায় অত্যন্ত উদাসীন আচরণ করেন। কেউ ডুবে থাকেন মোবাইলে, কেউ আবার সহকর্মীদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডায় ব্যস্ত থাকেন। যার ফল ভুগতে হয় যাত্রীদের। উল্লেখ্য, এদিনের ঘটনা সম্পর্কে এখনও মেট্রোর তরফে কিছু জানানো হয়নি।
