Hashtagintro

সাফে আজ ভারত-পাক মহাযুদ্ধ, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ‘ব্লু টাইগার্স’ কোচ

ঢাকার মূল স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস করার অনুমতি না পেয়ে বসুন্ধরার প্র্যাকটিস মাঠেই পাকিস্তান ম্যাচের প্রস্তুতি নিল নৌশাদ মুসার ভারতীয় দল। এমনিতে সাফ কর্তৃপক্ষর তরফে ভারতীয় দলের কাছে পরিষ্কার বার্তা এসেছে, নিরাপত্তার কারণে টিমের কেউ যেন হোটেল ছেড়ে বাইরে না যান। তার উপর মাথায় রাখতে হচ্ছে ঢাকার বুকে বৃহস্পতিবার ভারতীয় দলের প্রথম ম্যাচটাই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আর প্রতিবেশী এই দুই দলের ম্যাচ হলে মাঠের বাইরেও যে কী পরিমাণ উত্তেজনা তৈরি হয়, তা সবাই জানেন। ফলে এই মুহূর্তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে ঢাকার কী পরিবেশ তা সহজেই অনুমেয়। তার উপর মোটে তিনদিনের প্র্যাকটিসেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাফ কাপে নেমে পড়তে হচ্ছে ভারতীয় দলকে।

এই কিছুদিন আগে পর্যন্ত ফিফার নির্বাসনের আওতায় ছিল পাকিস্তান দল। ফলে পরিকাঠামোগত ভাবে পাকিস্তান ফুটবল একদমই ভালো জায়গায় নেই। তার মানে এই নয় যে, পাকিস্তান দলকে নিয়ে হেলাফেলা করার জায়গায় রয়েছে ভারতীয় দল। কারণ, প্রত্যেক বছরেই সাফ কাপের সময় ইউরোপে খেলা পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের নিয়ে এসে জাতীয় দল গঠন করা হয়। এমনিতে পাকিস্তান দলের ফুটবলারদের চেহারা খুবই ভালো। ম্যাচ চলাকালীন ভীষণভাবে শক্তিশালী চেহারার সুবিধে নিতে চান তাঁরা। কিন্তু তাতেও ভারতীয় দলের জয় আটকে যাওয়ার খুব একটা সম্ভাবনা নেই। কারণ, ভারতীয় দলে অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলার বেশি থাকলেও, পাকিস্তানের থেকে টেকনিক্যালি অনেক দক্ষ। ঢাকা থেকে ফোনে ভারতীয় দলের কোচ নৌশাদ মুসা বলছিলেন, ‘‘আমাদের দল তৈরি। জেতা নিয়ে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে করছি না।’’

বর্তমান কোচ, প্রাক্তন জাতীয় ফুটবলার মুসা জানালেন, সাফে খেলতে আসার আগে বেশ কয়েকটি পাকিস্তানের ম্যাচের ক্লিপিংস দেখেছেন তিনি। তাতেই মনে হয়েছে, দলটি নতুন ভাবে তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু খেলার স্টাইল দেখে মনে হয়েছে হারিয়ে দেওয়া সম্ভব। এর পাশাপাশি আবার এটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে, এই মুহূর্তে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে সাফে যেতে পারেননি মুসা। মাত্র ১৮ জন ফুটবলারকে নিয়েই সাফে চলে গিয়েছেন। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারালেই পরের দিন থেকে আরও ১০ জন ফুটবলার ঢাকা গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। যাঁদের মধ্যে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসোও রয়েছেন।

এমনিতে মুসার দলগঠন নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে। দল গঠন নিয়ে বিতর্কর বিষয়টি কানে গিয়েছে তাঁরও। বলছিলেন, ‘‘আমার হাতে প্রস্তুতির জন্য মাত্র তিনদিন সময়। এই সময়ে নিজের চেনা ফুটবলার ছাড়া কাউকেই নতুন করে শিবিরে ডাকতে পারিনি। কিছু ফুটবলার ডেকে শিবিরে যে ট্রায়াল করব, তারই বা সুযোগ কোথায়? হয়তো বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু ভালো ফুটবলার রয়েছে। কিন্তু তিন দিন প্র্যাকটিসে নতুন ফুটবলারদের কীভাবে দলের সিস্টেমে মানিয়ে নেব? এই জন্যই গত দু’বছর ধরে জুনিয়র জাতীয় দলে যাদের দেখেছি, মূলত তাদের মধ্যে থেকেই সাফের দলে ডেকেছি। কারণ, এদের প্রত্যেকেই খেলার স্টাইল আমি জানি। আমার কোচিং স্টাইলও ওরা জানে। তিন দিন প্র্যাকটিসের পরও তাই সাফ জেতার জন্য আমি আশাবাদী।’’ মুসা ঠিক করেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তুলে দেবেন নিখিল প্রভুর হাতে।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language