তাঁর বিভিন্ন খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত আগেই ‘খলনায়ক’ বানিয়েছে। এবার তাঁকে ‘কমলা মহামারীর রাজা’ বলে নগ্ন মূর্তি বসল প্রকাশ্যে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোনার মূর্তি বসানো ঘিরে তৈরি হল নয়া বিতর্ক। ২৩ ক্যারাট সোনা দিয়ে সাড়ে ৮ ফুটের মূর্তিটি তৈরি করেছেন ডেনমার্কের শিল্পী জেনস গ্যালশিওট। তা নিয়ে যতই বিতর্ক হোক, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ধারকাছ দিয়ে যাওয়ার সময় তা নজর কাড়ছে সকলের। এগিয়ে গিয়ে নগ্ন ট্রাম্পের মূর্তিটি দেখছেন শয়ে শয়ে মানুষ। শিল্পীর মতে, ট্রাম্পের মতো শাসক গোটা বিশ্বের কাছে সবচেয়ে বড় হুমকি। তাই তাঁকে হাস্যকর ব্যক্তিত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামনে ট্রাম্পের নগ্ন মূর্তিটি ভালো করে দেখলে বেশ কিছু স্তর চোখে পড়বে। খর্বকায় দরিদ্র এক মানুষের কাঁধে চড়েছেন বিশালদেহী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর শরীর সম্পূর্ণ নগ্ন। বিশেষভাবে নজর কাড়ে তাঁর সুবিশাল ভুঁড়ি। সোনার মূর্তিটির এক হাতে গলফ স্টিক ও বল, আরেক হাতে দাঁড়িপাল্লা। মূর্তির নিচে লেখা – দ্য অরেঞ্জ প্লেগ (কিং অফ ইনজাস্টিস)। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘কমলা মহামারী-অন্যায়ের রাজা’। ট্রাম্পের বয়ানে আরও লেখা – ‘আমি একজনের কাঁধের উপর বসে আছি। তিনি আমার ভারে ন্যুব্জ। আমি তাঁকে সবরকম সাহায্য করতে পারি, শুধু তাঁর পিঠ থেকে নামা ছাড়া।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামনে ট্রাম্পের নগ্ন মূর্তিটি ভালো করে দেখলে বেশ কিছু স্তর চোখে পড়বে। খর্বকায় দরিদ্র এক মানুষের কাঁধে চড়েছেন বিশালদেহী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর শরীর সম্পূর্ণ নগ্ন। বিশেষভাবে নজর কাড়ে তাঁর সুবিশাল ভুঁড়ি। সোনার মূর্তিটির এক হাতে গলফ স্টিক ও বল, আরেক হাতে দাঁড়িপাল্লা। মূর্তির নিচে লেখা – দ্য অরেঞ্জ প্লেগ (কিং অফ ইনজাস্টিস)। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘কমলা মহামারী-অন্যায়ের রাজা’। ট্রাম্পের বয়ানে আরও লেখা – ‘আমি একজনের কাঁধের উপর বসে আছি। তিনি আমার ভারে ন্যুব্জ। আমি তাঁকে সবরকম সাহায্য করতে পারি, শুধু তাঁর পিঠ থেকে নামা ছাড়া।’ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা। ট্রাম্পের যখনতখন আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার ভারে যে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের অবস্থা খারাপ, সেই বার্তাই স্পষ্ট করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ডেনমার্কের বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য পার ক্লসেনের উদ্যোগে ট্রাম্পের এমন নগ্ন মূর্তি বুধবার সেখানে স্থাপন করা হয়েছে। এনিয়ে ভাস্কর ডেনমার্কের জেনস গ্যালশিওট বলেন, “আমি মনে করি, ট্রাম্প সবকিছু ধ্বংস করে ফেলছেন। আমরা সাধারণ মানুষ হয়ে পরিবেশ রক্ষা, দূষণরোধে এত চেষ্টা করছি কিন্তু ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিত্বের কোনও হুঁশ নেই, উদ্যোগ নেই। আমাদের উচিত, প্রতিটি ইস্যুকে চিহ্নিত করা সমবেতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।” ট্রাম্পের এই মূর্তি দেখে হাসি থামাতে পারছেন না কেউ। এনিয়ে গ্যালশিওটের সরস মন্তব্য, কোনও স্বৈরাচারীই তাঁদের নিয়ে হাসাহাসি পছন্দ করেন না। আর এখানে আমার সাফল্য একটা হাস্যরসমূলক শিল্প গড়ে তোলা।”
