মেঘালয়ে একসময় ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হত ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক পার্টি (ইউডিপি)। তারাই হঠাৎ প্রায় নিশ্চিহ্ন ! দলত্যাগীদের ঢেউ ইউডিপি-র শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। খোদ দলের সভাপতি মেতবাহ লিংদোহ ইস্তফা দিয়েছেন কনরাড সাংমার নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভা থেকেও। ইতিমধ্যে ১২ জন বিধায়কের মধ্যে দল ছেড়েছেন ১১ জন।
২০২৩ সালের মণিপুর বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল এনপিপি। মোট ২৬ আসনে জয়ী হয় তারা। ইউডিপির ১২ বিধায়ক, বিজেপির ২, এইচএসডিপি-র ২ জন এবং ২ নির্দল প্রার্থীর সমর্থনে জোট সরকার গঠন করেন কনরাড সাংমা। বছর খানেক আগে মন্ত্রী হন ইউডিপি-র সভাপতি মেতবাহ্ লিংডো। কিন্তু শনিবার মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা বলেছেন মেতবাহ। জানা গিয়েছে, ৮ জন বিধায়ক বিজেপিতে এবং ৩ জন বিধায়ক শাসক দল এনপিপি-তে যোগ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ইউডিপি সভাপতি মেতবাহ্ লিংডো মেঘালয় বিধানসভার স্পিকারও। তিনি কার্যত বাধ্য হয়েই মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলেই রাজনৈতিক মহলের ব্যখ্যা। দলের ‘একা কুম্ভ’ নির্বাচিত বিধায়ক হিসাবে এখনও পর্যন্ত ইউডিপিতে রয়ে গিয়েছেন মেতবাহ। জানা গিয়েছে, নেতৃত্বের প্রশ্নে বেশ কিছু দিন ধরেই ইউডিপি-তে মতবিরোধ চলছিল। সংগঠন নিয়েও সমস্যা চলছিল ভিতরে ভিতরে। একসঙ্গে ১১ জন বিধায়কের দলত্যাগে সেই কথাই প্রমাণিত হল। কার্যত পালটে গেল উত্তরপূর্বের রাজ্যটির রাজনৈতিক অঙ্ক।
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
