Hashtagintro

১১২ ডায়ালে দেরিতে সাড়া দিলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা! জরুরি পরিস্থিতির গাড়িতেও ‘প্রোটোকল’ লালবাজারের

জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য থানার ‘ইআরএসএস’-এর গাড়ি ও বাইক কোনওভাবেই থানার রুটিন ডিউটিতে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করা যাবে না ব্যক্তিগত কাজেও। নির্দিষ্ট জায়গায় মোতায়েন রাখতে হবে সেগুলিকে। এই নির্দেশ না মানলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে পুলিশকে। জরুরি প্রয়োজনে পুলিশের দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করতে এবার আরও কড়া লালবাজার।

মহালয়া পুলিশের বহরে যুক্ত করা হয়েছে ৪৫০ টি গাড়ি ও বাইক। কলকাতা পুলিশের প্রত্যেকটি থানাকে একটি করে ই-বাইক ও গাড়ি দেওয়া হয়েছে, যাতে ১১২ ডায়ালে  খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছনো যায় ঘটনাস্থলে। এই ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী, এমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট সিস্টেম বা ‘ইআরএসএস’-এর গাড়ি বা বাইক রাখা হবে, তা সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডিসি থানার ওসিদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন। স্পর্শকাতর এলাকা, যাতায়াতের সুবিধা বা পৌঁছনোর সময় বিবেচনা করেই তৈরি হবে এই তালিকা।

লালবাজারের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রত্যেকটি ‘ইআরএসএস’-এর গাড়ি ও বাইকের অবস্থানের উপর নজর রাখা হবে। ‘ইআরএসএস’-এর ডিউটিতে থাকা পুলিশকর্মীদের একদিন আগে ‘ডিউটি মিত্র’ অ্যাপে ডিউটি জানানো হবে। প্রত্যেকটি শিফটের শুরুতে গাড়ি বা বাইকের জ্বালানি, ব্রেক, আলো, সাইরেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিপিএস ও প্রাথমিক চিকিৎসার কিট পরীক্ষা করতে হবে। ‘প্রায়োরিটি কল’ হিসাবে ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেবে ‘ইআরএসএস’ টিম। ঘটনস্থলে পৌঁছে প্রথমেই প্রাণরক্ষা ও ক্ষতি আটকানোর চেষ্টা করবে এই টিম। এরপর প্রয়োজনমতো ঘটনাস্থল সুরক্ষিত রাখা, থানাকে খবর দেওয়া, অ্যাম্বুল্যান্স, দমকল, ট্রাফিককেও খবর দিতে হবে। মহিলা, শিশু বা কোনও অসহায় ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতার সঙ্গে আচরণ করতে হবে পুলিশকর্মীদের। কোনও গাড়ি নির্ধারিত সময়ে সাড়া না দিলে কন্ট্রোল রুম টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট থানা বিকল্প ইউনিট পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। দশ মিনিটের বেশি দেরি হলে সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল ডিসিকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে হবে।

লালবাজারের নির্দেশ, থানার ওসিদেরও ‘ইআরএসএস’ টিমের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলতে হবে। তদন্তের প্রয়োজন হলে থানা তা দেখবে। ওই টিম দেরিতে সাড়া দিলে বা টিমের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ এলে ওসিকে তদন্ত করতে হবে। ‘ইআরএসএস’ গাড়ি কোনওভাবেই ব্যক্তিগত, এমনকী, থানার অন্য কাজেও ব্যবহার করা যাবে না। গাড়ি বা জিপিএস সর্বক্ষণ চালু রাখতে হবে। অনুমতি ছাড়া গাড়ি অন্য কাজে সরিয়ে নেওয়া বা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেরিতে সাড়া দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়মিত পর্যালোচনা করবে কন্ট্রোল রুম ও ডিভিশনের পুলিশকর্তারা।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language