রাতভর হাজতে। সকালে আদালতে হাজির করানো হয়। অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পর ছাড়া পেলেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। অন্যদিকে, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও মুক্তি দিল দিল্লি পুলিশ।
রবিবার সকালে দীপকে-সহ তিন সিজেপি নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয়। তারপরই শর্তসাপেক্ষে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী এক বছর তাঁরা শান্তিভঙ্গ করতে পারবেন না। এই শর্তেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে তিন ‘ককরোচ’ নেতাকে। দীপকেরদের মুক্তির পরই এক্স হ্যান্ডলে একটি বিবৃতিতে জারি করেছে সিজেপি। সেখানে বলা হয়েছে, “অবশেষে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হল। আরশোলা কখনও মরে না।” জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর ২টো নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করবে সিজেপি।
অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের (CJP Protest Delhi) ডাক দিয়েছিল ‘আরশোলা’রা। তবে সেই বিক্ষোভের আগেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছিল দিল্লি পুলিশ। শনিবার দিল্লিজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় হয়। আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য এদিন মুম্বই থেকে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দেন দীপকেরা। ১০টা ১৯ মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁদের বিমান নামতেই উড়ানের ভিতর থেকেই তাঁদের আটক করা হয়। তিনজনকে আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাতস্থানে। এরপর ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ এবং ১৭০ ধারায় তিন সিজেপি নেতাকে সতর্কতামূলক গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় ধ্রুবকেও। অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পর ছাড়া হল তিন ‘ককরোচ’ নেতা এবং জনপ্রিয় ইউটিবারকে। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে দীপকে, আশুতোষ, সৌরভরা কোথায় ছিলেন, তা জানা যায়নি।
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
