দাবিমতো পুজোর চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ। মহিলাদেরও হেনস্তা করা হয়েছে! আক্রান্তদের অভিযোগ, পুজো উপলক্ষ্যে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর-কল্যাণগড় এলাকায়। গতকাল, শনিবার এই ঘটনার পরেই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযুক্তরা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গৃহকর্তার অভিযোগ, ওই এলাকায় বাড়ি কেনা নিয়েও তাঁদের সঙ্গে ক্লাবের একাংশের বিবাদ হয়েছিল। এবার পুজোর সময় চাঁদা বাবদ ওই পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। ওই মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন দীপেন্দু আচার্য ওরফে রাজা। দীপেন্দুর অভিযোগ, বছর দুয়েক আগে ক্লাবের পাশে বাড়ি কেনার পর সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। সেই সময় টাকা দেওয়ার পরেও এবার ক্লাবের নতুন কমিটির দুই কর্তা ফের ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে তাঁর দাবি।
শনিবার বাবলি ভদ্র ও গোবিন্দ দাস নামে দু’জন তাঁদের বাড়ি গিয়ে টাকা দাবি করেন। কিন্তু সেই টাকা দিতে চাননি দীপেন্দু। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিয়ো করতে গেলে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন স্ত্রী ও শাশুড়ি। তাঁদেরও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলাদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করা হয় বলেও দাবি দীপেন্দুর।
সম্প্রতি ক্লাবের পুরনো কমিটির বদলে নতুন কমিটি দায়িত্ব নিয়েছে। এর মধ্যেই চাঁদা নিয়ে এই অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও, বাবলি ভদ্রের পাল্টা দাবি, চাঁদা চাইতে গেলে দীপেন্দুই গালিগালাজ করেন। তা নিয়ে বচসা হলেও মারধর বা মহিলাদের হেনস্তার ঘটনা ঘটেনি। ৫০ হাজার টাকা চাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় একটি জেনারেল ডায়েরি হয়েছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।