কালীপুজোতে কোনও নিষিদ্ধ বাজি পোড়ানো যাবে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের পয়াগ গ্রামেও চলছে পুলিশি তল্লাশি অভিযান। ধারাবাহিক তল্লাশি অভিযানে মোট ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে। সেই অভিযানের কারণেই গোটা গ্রামের পুরুষরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে খবর। এই মুহূর্তে গোটা গ্রাম পুরুষশূন্য।
আজ সোমবার পয়াগ গ্রামে পুলিশি অভিযান চলে। একাধিক কারিগরের বাড়িতে অভিযান চলে। প্রায় ২০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়েছে এদিন। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামেরই বাজি ব্যবসায়ী রাজকুমার হাইতের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে মোট ৪০০ কেজি বাজি উদ্ধার হয়েছিল। ওই গ্রামেই ধারাবাহিকভাবে অভিযান চলছে। এখনও অবধি ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়েছে ওই গ্রাম থেকে।
জানা গিয়েছে, পয়াগ গ্রামে ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার বাজি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। বাড়িতেই তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণে বাজি। তৃণমূল আমলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কারখানার হদিশ মিলেছিল। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে অতীতে একাধিক মানুষের মৃত্যুও হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকারের আমলে প্রশাসন নিষিদ্ধ শব্দবাজি আটকে কড়া পদক্ষেপ ও নজরদারি করছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুলিশের কাছেও গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পয়াগ গ্রামে অভিযান চলছে। এদিন প্রচুর পরিমাণ বাজির উপকরণও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশি অভিযানে গোটা গ্রাম থেকে পুরুষরা গ্রেপ্তারির ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে খবর। এই মুহূর্তে গ্রাম পুরুষশূন্য। এদিন কাউকে গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অন্যদিকে, হলদিয়ার দুর্গাচক থানার দুর্গাচক ডি ব্লকে একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ ১০০ কেজি বাজি উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্গাচক থানার পুলিশ।
