রনজি ট্রফিতে দ্বিতীয় দিনই জয়ের গন্ধ পাচ্ছে বাংলা। নেপথ্যে শাহবাজ আহমেদের ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স। সঙ্গে মহম্মদ শামির পেস। প্রথম দিনের ধাক্কা সামলে রাজার মতো কামব্যাক লক্ষ্মীরতন শুক্লার দলের। যার জেরে কেরলের মাটিতে গিয়েই তাদের হারানোর সমস্ত আয়োজন প্রস্তুত। বাংলার ৩৫০ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে কেরল ৬ উইকেট হারিয়েছে। এখনও প্রায় ২৫০ রানে পিছিয়ে। এবার দেখার অভিমন্যু ঈশ্বরণরা ৭ পয়েন্ট ঘরে তুলতে পারেন কি না।
রনজিতে প্রথম দু’ম্যাচে জিতেছে বাংলা। তবে কেরলে গিয়ে তৃতীয় ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি বাংলার। রান পাননি অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক পোড়েলরা। ৬৬ করেন অঙ্কুর পাল। তাতেও যে বিপদ ছিল, সেটা কাটিয়ে দেন শাহবাজ। সুমন্ত গুপ্তর সঙ্গে জুটি বেঁধে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ২০৩ বলে ১২১ রান করেন। ব্যাট থেকে আসে ৮টা চার ও ৪টে ছক্কা। সুমন্ত মাত্র একরানের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করেন। তারপরও প্রদীপ্ত প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে বাংলার রানের গতি বজায় রাখেন শাহবাজ। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে বাংলাকে ৩৫০ রানে পৌঁছে দেন।
তবে শুধু ব্যাটে নয়, বলেও দাপট বজায় শাহবাজের। মাত্র ৮ রান দিয়ে শচীন বেবি, আদিত্য সারওয়াতের উইকেট তুলে দেন স্পিন-অলরাউন্ডার। অন্যদিকে ছিল শামির ম্যাজিক। জাতীয় দলে বঞ্চনা নিয়ে এখন আর ভাবেন না। শুধু নিজের কাজ করে যান। সেটা হল নিয়মিত উইকেট শিকার। প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেট তুলেছিলেন। এদিন আগুন ঝরিয়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। একটি উইকেট প্রদীপ্ত প্রামাণিকের। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে কেরলের রান ১০১। পিছিয়ে আছে ২৪৯ রানে। জয়ের কাছে তো বটেই। তৃতীয় দিনের শুরুতে কেরলকে অলআউট করাতে পারলে ৭ পয়েন্টের সম্ভাবনা থাকবে বাংলার কাছে।