বিগ বস দুর্গে ঢোকার পরই জীতু কামালের সঙ্গে একটা অন্যরকম সমীকরণ তৈরি হয়েছিল রাজবীর দের। যদিও তাতে চিড় ধরেছে বেশ কিছুদিন আগেই। জীতুর দাবি, এর নেপথ্যে নন্দিনী দত্ত। এবার সেই নন্দিনীই ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগাতে মরিয়া! যদিও সেসবকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না জীতু। মঙ্গলবারের পর্বে দেখা গেল, অভিনেতা অবস্থানে অনড়। বিগ বস চলাকালীন কোনওভাবেই রাজবীরের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে রাজি নন তিনি।

রাজবীর বিগ বস দুর্গে ঢোকার পরই নন্দিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তা প্রেমে মোড় নিতে বেশি সময় লাগেনি। এরপর জীতুর ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি হতেই তাঁর সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয় রাজবীরের। জীতু বরাবর বলেছেন, তিনি রাজবীরের মধ্যে নিজের ছোটবেলা দেখতে পান, তাই ওকে ভালোবাসেন। কিন্তু জীতু-রাজবীরের এই ঘনিষ্ঠতা একেবারেই পছন্দ নয় নন্দিনীর। তিনি বরাবরই এর বিরোধিতা করেছেন। ছোট ছোট বিষয় নিয়ে রাজবীরের সঙ্গে অশান্তিও করেছেন। যা মোটেই ভালো লাগেনি জীতুর। এক পর্যায়ে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁদের।
পরবর্তীকালে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও এনিয়ে মন্তব্য করেন। জীতুকে যে সত্য়িই রাজবীরকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন, তা তিনিও বলেন। পাশাপাশি নন্দিনী কেন রাজবীরকে হাতের মুঠোয় রাখতে চাইছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারপরই দেখা যায়, নন্দিনী রাজবীরকে বারবার বোঝান, জীতুর সঙ্গে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য। রাজবীর ইঙ্গিতে বন্ধুত্বের হাতও বাড়ান। কিন্তু জীতু তাতে সাড়া দেননি। এরপর দেখা গেল, নন্দিনী সরাসরি জীতুর সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, রাজবীর কষ্ট পাচ্ছেন, কান্নাকাটিও করছেন। কিন্তু তাতেও গলল না বরফ। এদিন পুলের পাশে একা বসে জীতুকে বলতে শোনা গেল, “তুমিই ভেঙেছো, তুমিই এখন জুড়তে এসেছো! ওসব হবে না। এই বাড়িতে থাকতে আর কিছু হবে না। বেরনোর পর দেখা যাবে।” অর্থাৎ বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে দর্শকরা ব্রোম্যান্স আর দেখতে পাবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।
