এই প্রথম! পশ্চিমবঙ্গ দখলের পর এখান থেকেই যাত্রা শুরু করল বিজেপির শ্রমিক সংগঠন। নাম ‘এনএসসিবিআই এয়ারপোর্ট কনট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স মোর্চা’। শনিবার নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংগঠনের উদ্বোধন করলেন পশ্চিমবঙ্গের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসাল, সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক সুনীল বনসালের ঘোষণা, প্রথম শ্রমিক সংগঠনের সূচনা হলো কলকাতা বিমানবন্দর থেকে। স্বচ্ছতার সঙ্গে ট্রেড ইউনিয়ন চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এও জানান, এরপর অন্যান্য রাজ্যেও শ্রমিক সংগঠন খোলা হবে। ‘এনএসসিবিআই এয়ারপোর্ট কনট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স মোর্চা’র এহেন আবির্ভাব প্রশ্ন তুলে দিল, তবে কি আরএসএসের ছায়া থেকে বেরিয়ে এবার সবক্ষেত্রে স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলতে চাইছে কেন্দ্রের শাসকদল? সেক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে কি নিজস্ব ছাত্র সংগঠনও গড়বে বিজেপি?
২০১৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশের ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিজেপি এতদিন নিজেদের মূল উৎস রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের তত্বাবধানেই কাজ করেছে। তবে বছর কয়েক আগে সর্বভারতীয় সভাপতি থাকাকালীন জেপি নাড্ডার বক্তব্য ছিল, বিজেপি স্বয়ংসম্পূর্ণ, কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। তাতেই ইঙ্গিত ছিল। ছাব্বিশে বঙ্গদখলের পর বিজেপি এবার শ্রমিক সংগঠনের যাত্রা শুরু করল এই বাংলা থেকেই।
শ্রমিক সংগঠনের পরিসর বাড়াতে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেড ইউনিয়নের ময়দানে বিজেপি। কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়নের পথচলা শুরু হল। শনিবার পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করে আগামী দিনে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও তা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানাল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ট্রেড ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক সূচনার পর এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, যে নতুন ট্রেড ইউনিয়ন তৈরি হল, তার প্রচেষ্টা সফল হোক। নতুন সংগঠনের মূল লক্ষ্য, শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করা এবং তাঁদের বিভিন্ন দাবি, সমস্যা ও স্বার্থের বিষয়গুলিকে সাংগঠনিকভাবে তুলে ধরা।
২০১৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশের ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিজেপি এতদিন নিজেদের মূল উৎস রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের তত্বাবধানেই কাজ করেছে। তবে বছর কয়েক আগে সর্বভারতীয় সভাপতি থাকাকালীন জেপি নাড্ডার বক্তব্য ছিল, বিজেপি স্বয়ংসম্পূর্ণ, কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। তাতেই ইঙ্গিত ছিল। ছাব্বিশে বঙ্গদখলের পর বিজেপি এবার শ্রমিক সংগঠনের যাত্রা শুরু করল এই বাংলা থেকেই।
যদিও ভারতীয় মজদুর সংঘ বা বিএমএস নামে একটি শ্রমিক সংগঠন রয়েছে, যা বিজেপির বলে আপাতভাবে মনে হলেও তা কিন্তু আসলে সংঘের সংগঠন। এবার ‘এনএসসিবিআই এয়ারপোর্ট কনট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স মোর্চা’ আসায় বিএমএসের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দুই সংগঠন কি মিলে যাবে নাকি আলাদাই থাকবে? অন্যদিকে, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠনটিও আরএসএসের অধীনে। তবে কি বিজেপি এবার পৃথক ছাত্র সংগঠনও খুলবে? আর এভাবেই ক্রমাগত সংঘের ছায়া থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ বের করে স্বতন্ত্র্য পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে বিজেপি?
