বিগ বসের দুর্গ মানেই সেখানে প্রতিনয়ত কিছু না কিছু ঘটবেই। পরতে পরতে থাকবে চমক। কখনও প্রতিযোগীদের মনোমালিন্য তো কখনও একেবারে ভালোবাসায় গদগদ হওয়ার মতো মুহূর্ত ঘিরে বিগ বসের ঘরে হইহই কাণ্ড! এই শোয়ের দর্শক তো মাঝমধ্যেই মজা করে বলে ফেলেন, বিগ বসের ঘর তো নয়, যেন একেবারে রঙ্গমঞ্চ! দিন কয়েক আগেও যে রাজবীর, নন্দিনীর মাখোমাখো প্রেম ঘিরে বিগ বসের ঘরে শোরগোল সেই প্রেমিকযুগলের মধ্যেই এখন কিনা মনোমালিন্য, দূরত্ব বাড়ছে! বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়েই ভরত কল রিয়ালিটি শোয়ের প্রেম নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্কের সমীকরণ সত্যিই বদলে যাবে? এই জল্পনার মাঝেই শনিবার নেটদুনিয়ায় চর্চায় জীতু কমল ও সৃজলা গুহ।
শনিবার ‘দাদার দরবার’-এ একটি টাস্ক চলাকালীন রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্কের টানাপোড়েন কার্যত দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে যায়। নন্দিনীর বিরুদ্ধে রাজবীর গুরুতর অভিযোগ, প্রতিযোগীতায় জিততে ভালোবাসাকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছেন। যদিও রাজবীরের এই অভিযোগ মানতে নারাজ নন্দিনী। ড্য়ামেজ কন্ট্রোল করতে আসরে নামেন খোদ শোয়ের সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দাদার টোটকা, আবেগ দূরে রেখে খেলায় মনোনিবেশ করো। এর মাঝেই সৃজলার মুখে জীতুর নাম। সে শুধু নাম নয়, উদভ্রান্তের মতো ঘুরছেন আর জীতুর এক কাণ্ড নিয়ে চিন্তায় মাথা খারাপ হওয়ার উপক্রম। কী এমন ঘটল যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রতিযোগী থেকে দর্শক!
শোয়ের মাঝে আচমকা সৃজলা ঘুরপাক খাচ্ছেন আর আপন মনে বলে চলেছেন, “কাকে ভালোবেসে ফেললে জিতু? কেন ভালোবেসে ফেললে? অপরাধ বোধে ভুগছি আমি। আমি এখন কী করব?” এই কথাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজতে মরিয়া বিগ বসের দর্শক। শনিবারের এপিসোড সম্প্রচারের পর জীতু-সৃজলাকে নিয়ে কৌতুহল বেড়েছে তা বললে অত্যুক্তি হবে না। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে নবনীতার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সিঙ্গল জীতু। তাঁর সঙ্গে কখনও কারও নাম জড়ায়নি। কিন্তু, বিচ্ছেদের তিন বছর পর জীতুর জীবনে নতুন প্রেমের বসন্ত? সৃজলা মন দিয়ে ফেলেছেন জীতুকে? দানা বাঁধছে এরকম একাধিক প্রশ্ন। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে দুর্নিবারের সঙ্গেও সৃজলার সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।