‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ মিছিল থেকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে তুলোধোনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। তাঁর খোঁচা, নকল সংসদে প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত ছিল রাহুলের। তাহলে অন্তত একদিনের জন্য ছেলেকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে দেখে শান্তি পেতেন সোনিয়া গান্ধী। ধর্মতলার সভা থেকে রাহুলের পাশাপাশি ইন্ডি জোটের একাধিক নেতাকে বিঁধেছেন নীতীন।
গত শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে নকল সংসদ বসিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ পেশ করে ইন্ডিয়া জোট। যেখানে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ অভিযোগ এনেছে বিরোধী শিবির। প্রথম থেকেই এই মক পার্লামেন্টকে নাটক বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বারবার গেরুয়া শিবির দাবি করেছে, রাহুল গান্ধীকে নতুন করে লঞ্চ করতে চাইছে কংগ্রেস। সেকারণেই এমন মহা আয়োজন করেছে বিরোধীরা।
এই নকল সংসদেও বিরোধী দলনেতার ভূমিকাতেই অভিনয় করেছিলেন রাহুল। তারপর থেকেই বিজেপি বারবার নিশানা করেছে কংগ্রেস সাংসদকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হতে হলে রাহুলকে আজীবন নকল সংসদেই থাকতে হবে। আসল সংসদে ওনার নম্বর কোনওদিনই আসবে না।’ শাহ আরও বলেন, ১৫ বছর ধরে ৩টি নির্বাচনেই হেরে আসছে ওরা। ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী দেখার স্বপ্ন সোনিয়াজির পূরণ হচ্ছে না। তাই এই নকল সংসদের আয়োজন।
সেই কথাই আরও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এদিন শোনা গেল বিজেপি সভাপতির কণ্ঠে। তাঁর কটাক্ষ, “নকল সংসদে প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন রাহুল। তাহলে সোনিয়াজি একদিনের জন্য হলেও শান্তি পেতেন। ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখার ইচ্ছাটুকু তো পূরণ হত।” পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “উনি তো বাংলায় হেরেছেন, তারপর দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করছেন।” ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ করে নীতীনের তোপ, তোষণের রাজনীতি করতে একজোট হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। কিন্তু নীতীনের আশ্বাস, দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়েই ছাড়বে বিজেপি। ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন শুধু ভারতীয়রাই।
